kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

সোনারগাঁয়ের ১১৯ বছরের পুরনো স্কুলের নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্তী

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১১:২৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সোনারগাঁয়ের ১১৯ বছরের পুরনো স্কুলের নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্তী

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের ১১৯ বছরের ঐতিহাসিক বিদ্যাপীঠ সোনারগাঁ জি আর ইনস্টিটিউশন স্কুল এন্ড কলেজের অভিভাবক সদস্য নির্বাচনে তিনজন অভিভাবক সদস্যের জন্য প্রতীক বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে ৫, ৭ ও ১০ নম্বর। তিনজন প্রার্থীর জন্য ১০ পর্যন্ত প্রতীক দেওয়ায় বিভ্রান্তীতে সাধারণ ভোটার।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির স্কুল শাখার অভিভাবক সদস্যের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। নির্বাচনে তিনজন প্রার্থী অংশগ্রহণ করলেও প্রতীক নম্বর দেওয়া হয়েছে ১০ পর্যন্ত। যা অনেককে বিভ্রান্তীতে ফেলছে। ফলে অনেক অভিভাবকদের ধারণা এ নির্বাচনে মোট ১০ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করছেন। তাই তারা বাকি ৭ জন প্রার্থীর নাম জানতে চাইছেন।

কলেজের অধ্যক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, যেহেতু ৩ জন প্রার্থী তাই আমরা ১, ২, ৩ নম্বরকেই প্রতীক হিসেবে বরাদ্ধ দিতে চেয়েছিলাম। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্ধ না থাকায়  নিয়মানুযায়ী প্রার্থীর নামের আধ্যাক্ষরের ক্রমানুসারে ভোটার নম্বর বরাদ্ধ পাবে। প্রার্থী তিনজনের নাম আলেয়া আক্তার, আসাদুজ্জামান মোল্লা ও দুলাল মিয়া। দুজনের নামের আধ্যাক্ষর ‘আ’ হওয়ায় প্রখম দুটি অক্ষরের ক্রমানুযায়ী আলেয়া আক্তার (১), আসাদুজ্জামান মোল্লা (২) এবং দুলাল মিয়া মিয়া (৩) নম্বর প্রতীক বরাদ্ধ পেয়েছেন। আলেয়া ছাড়া বাকি দুজন এটা মানতে নারাজ। সবার দাবি ১ নম্বর। বিষয়টি আমি সমাধান করতে না পেরে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে থাকা সোনার গাঁ উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) নাজমুল হুসেইন এর সহযোগিতা নিলে তিনি এর সমাধান করেন।

এ ব্যাপারে অভিভাবকদের অভিযোগ, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে এমন অনিয়ম মেনে নেয়া যায় না। যেখানে ১, ২ ও ৩ থাকার কথা সেখানে ৫, ৭, ১০। এতে সাধারণ অভিভাবকরা বিভ্রান্তীতে পড়েছেন। অনেকের ধারণা ১০ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন। এটা শুধু নির্বাচন নয় পুরো বিদ্যালয়েরর স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলে তাদের অভিযোগ।

সোনারগাঁ জি আর ইনস্টিটিউশনের প্রাক্তন ছাত্র তৌহিদুল হাসান এ বিষয়ে জানান, যারা প্রতীক বরাদ্ধের নিয়ম মানতে পারে না তারা বিদ্যালয়ের কী উন্নয়ন করবে আমার জানা নেই।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম প্রধান বলেন, তিনজন প্রার্থীর জন্য ১০ পর্যন্ত ক্রমিক বরাদ্ধ এটা কিভাবে সম্ভব, আমার জানা নেই। নির্বাচনের নিয়মে কোথাও প্রতীক বরাদ্ধের কথা উল্লেখ নেই। তবে অনেক অভিভাবক আছেন যারা নাম পড়ে ভোট দিতে পারবেন না। তাদের জন্যই ক্রমিক দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে নাজমুল হুসেইন বলেন, প্রার্থীদের সমঝোতার ভিত্তিতেই ৫, ৭ ও ১০ নম্বর ক্রমিক (প্রতীক) বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা