kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

ধামরাইয়ে মাদকসেবীকে পিটিয়ে হত্যা

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি    

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৪:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধামরাইয়ে মাদকসেবীকে পিটিয়ে হত্যা

ঢাকার ধামরাইয়ে আবদুল হান্নান (৪৫) নামের এক মাদকসেবীকে পানিতে ফেলে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হান্নান উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের জয়পুরা গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় শামীম ও সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। হান্নানের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। 

জানা যায়, হান্নান গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হন। রাত ৯টার দিকে হান্নানের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী মনিরা বেগমের মোবাইল ফোনে শেষ কথা হয়। তখন হান্নান স্ত্রীকে জানান, তিনি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জয়পুরা পাল সিএনজি ফিলিং স্টেশনে আছেন। রাত ১০টার দিকে হান্নানের মোবাইল ফোন বন্ধ পান তাঁর স্ত্রী। এ অবস্থায় হান্নানের স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। একপর্যায়ে রাত ৩টার দিকে জানতে পারে হান্নান জয়পুরা গ্রামের নাগরাই বিলের পাশে আছেন। সেখানে গিয়ে তাঁর স্বজনরা হান্নানকে পড়ে থাকতে দেখে। পরে তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিত্সক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। হান্নানের ব্যবহূত মোবাইল ফোনসেটটি পাওয়া যায়নি। 

পুলিশের হাতে আটক হওয়ার আগে শামীম এবং সোহেল রানা এ প্রতিবেদকসহ উপস্থিত পুলিশকে জানিয়েছেন, গত মঙ্গলবার রাতে নাগরাই বিলের পরিত্যক্ত পুকুরের পাশে একটি ছাপরা ঘরে এক নারীকে নিয়ে রাত কাটাচ্ছিলেন তাঁরা তিনজন। ওই সময় সাদা পোশাকে কয়েকজন লোক হান্নানসহ নারীকে ধরে ফেলে। এ সময় তাঁরা দুজন পালিয়ে যান। আটক দুজনের ধারণা ছিল, হয়তো পুলিশ তাঁদের (হান্নান ও নারী) আটক করেছে। আটক শামীম কয়েক মাস আগে ইয়াবাসহ ডিবি পুলিশের হাতে আটক হন। পরে দেড় মাস হাজতবাস করে জামিনে মুক্তি পান। 

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, হান্নানের মাথা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। 
এদিকে এলাকাবাসীর ধারণা, ইয়াবার বড় ধরনের চালান গায়েব করেছেন হান্নান। কিংবা ওই নারীর সঙ্গে কোনো বাহিনীর সদস্যদের সম্পর্ক রয়েছে। 

হান্নান ২০০৬ সালে অস্ত্রসহ সাভারের নিরিবিলি এলাকা থেকে আটক হয়েছিলেন। এরপর কয়েক মাস জেল খেটে জামিনে রেব হন। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা