kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

সীতাকুণ্ডে রেজাউল খুনের মামলায় আসামির জবানবন্দি

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০২:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সীতাকুণ্ডে রেজাউল খুনের মামলায় আসামির জবানবন্দি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভার চৌধুরীপাড়ায় ছিনতাইকারী রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি হাসান ওরফে বাদশা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। 

গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার কৌশিক আহমেদের আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি জানান, আত্মরক্ষার জন্যই রেজাউল করিমকে ছুরিকাঘাত করেন তিনি। আসামি বাদশার বরাত দিয়ে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. হারুনুর রশিদ জানান, গত ২৯ আগস্ট রাতে সীতাকুণ্ডের পৌর সদরের চৌধুরীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রেজাউলের স্ত্রী রমিজা বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন। এতে বাদশা ও তাঁর বন্ধু এমরানকে আসামি করা হয়। 

এ ঘটনার পর ৩ সেপ্টেম্বর প্রধান আসামি বাদশা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর পুলিশ তাঁকে রিমান্ডে আনার জন্য আবেদন করলে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত ১৭ সেপ্টেম্বর পুলিশ তাঁকে রিমান্ডে আনলে বাদশা পুলিশের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেন। এ ছাড়া গতকাল বুধবার আদালতে ১৬৪ ধারায় তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। 

এসআই হারুন জানান, জবানবন্দিতে বাদশা দাবি করেন যে একই এলাকার যুবক নুর হোসেন তাঁর বন্ধু। নিহত রেজাউল কিছুদিন আগে নুর হোসেনের ওপর হামলা চালান। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও করেন এবং বাদশাসহ তাঁর বন্ধুদের নুর হোসেনের সঙ্গে না মেশার পরামর্শ দেন। কিন্তু সেই পরামর্শ না শুনে বাদশা ও বন্ধু এমরান নুর হোসেনের বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁদের ওপর চড়াও হন রেজাউল। তাঁর হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে বাদশা সঙ্গে থাকা ছুরি দিয়ে রেজাউলকে আঘাত করেন। এতে তাঁর মৃত্যু হয়। এদিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আদালতে সাক্ষ্য দেন মামলার একমাত্র সাক্ষী নিহত রেজাউলের বন্ধু ঘটনাস্থলে থাকা মারুফ। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা