kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

সাইফুজ্জামান শিখর এমপির ঘোষণা

মাগুরা হাসপাতালে আন্তর্জাতিক মানের অপারেশন থিয়েটার হবে

মাগুরা প্রতিনিধি   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২০:৫৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাগুরা হাসপাতালে আন্তর্জাতিক মানের অপারেশন থিয়েটার হবে

মাগুরা সদর হাসপাতালে মাগুরা সদরের ২৫০ শয্যা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা হয়েছে। ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মাগুরা ১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখরের সভাপতিত্বে হাসপাতাল তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জেলা প্রশাসক আলী আকবর, মাগুরা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অলোক কুমার সাহা, সিভিল সার্জন প্রদীপ কুমার সাহা, পৌর মেয়র খুরশিদ হায়দার টুটুল, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু নাসির বাবলু, ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার স্বপন কুমার কুণ্ডু, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

সভায় সাইফ্জ্জুামান শিখর মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতপালে একটি আন্তর্জাতিক মানের অপারেশন থিয়েটার স্থাপনের ঘোষণা দেন। এ ছাড়া মা ও শিশুদের জন্য সব ধরনের সুবিধা সম্পন্ন পৃথক ওয়ার্ড স্থাপনের কথা জানান।

শিখর বলেন, এই হাসপাতালটি এখন মাগুরাসহ আশপাশের জেলার মানুষের আস্থার প্রতীক। এটির প্রতি সবার যত্নশীল হতে হবে। চিকিৎসাসেবাকে হাসপাতাল সংশ্লিস্টদের অত্যন্ত মানবিকতার জায়গা থেকে বিবেচনা করেতে হবে।

সভায় অভিযোগ ওঠে, মাগুরা ২৫০ শয্যার হাসপাতালে সরকারি ওষুধের মজুদ থাকা স্বত্ত্বেও ওষুধ বিতরণে দায়িত্বরতরা হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ছোট ছোট মোটা কাগজের বিশেষ স্লিপে ওষুধ লিখে বাইরে দোকান থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করেন। এ ছাড়া হাসপাতালে দালালদের ভয়াবহ উপদ্রুপ রয়েছে। রয়েছে ড্রেনেজ, পয়ঃনিষ্কাশন, জন বলের সমস্যা।

সভায় উপস্থিত মাগুরা ১ আসনের সংসদ সদস্য এসব সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি হাসপাতালটিকে দালাল মুক্ত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ ছাড়া অন্যান্য সমস্যা সমাধানে স্ব-স্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন।

সিভিল সার্জন প্রদীপ কুমার সাহা বলেন, মাগুরায় গত মাসে ৬০০ প্রসূতি সিজারিয়ানের মাধ্যমে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। এই সংখ্যা উদ্বেগজনক। প্রসূতিদের নরমাল ডেলিভারির জন্য হাসপাতালের সংশ্লিষ্টদের আরো আন্তরিক হতে হবে।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিরঞ্জন বন্ধু দাম বলেন, প্রসূতি মায়েদের সন্তান জন্মের ১ মাসের মধ্যে পুনরায় গর্ভধারণের ঝুঁকি রয়েছে। গত মাসে ৬ শতাধিক প্রসূতি মায়ের মধ্যে মাত্র ৩ জন জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। এই হার বাড়ানোর জন্য হাসপাতালের সংশ্লিষ্টদের এক্ষেত্রে আরো সচেষ্ট হতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা