kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ

মামলা তুলে না নেওয়ায় বাদীর হাত-পা থেঁতলাল আসামিরা

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মামলা তুলে না নেওয়ায় বাদীর হাত-পা থেঁতলাল আসামিরা

মামলা তুলে না নেওয়ায় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গৃহবধূ গণধর্ষণ মামলার বাদী ছিদ্দিক হাওলাদারকে পিটিয়ে দুই পা এবং বাম হাত থেঁতলে দিয়েছে আসামিরা। গত মঙ্গলবার রাতে উপজেলার মহিপুর থানার চাপলি বাজার এলাকায় চাপাতি, হকিস্টিক এবং রড দিয়ে পিটিয়ে ছিদ্দিককে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে বীরদর্পে চলে যায় আসামিরা। রাতেই স্থানীয়রা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। 

এ ঘটনায় মহিপুর থানা পুলিশ বুধবার দুপুরের দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হামলার সঙ্গে জড়িত এবং ধর্ষণ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি খায়ের (৪২) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

আহতের ভাই মো. কবির হাওলাদার জানায়, দীর্ঘদিন ধরে গণধর্ষণ মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আসামিরা তার ভাইকে নানা হুমকি প্রদান করে আসছিল। মামলা তুলে না নেওয়ায় গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চাপলি বাজারের ধুলশ্বর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত মামলার আসামি শাকিল, শাহ আলম, মামুন, রবিউলসহ কয়েক যুবক তাকে রড, হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে দুটি পা থেঁতলে দেয় এবং চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে চলে যায়। 

মহিপুর থানার ওসি সোহেল আহমেদ জানায়, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

উল্লেখ্য, গত ১৫ এপ্রিল রাতে কলাপাড়া উপজেলার ধুলাশ্বর ইউনিয়নের নতুনপাড়া গ্রামে স্বামীকে বেঁধে তার সামনে স্ত্রীকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে একই এলাকার মৃত মনু মাঝির ছেলে শাহ আলম, মনির হাওলাদারের ছেলে শাহিন, রবিউল, আল-আমিন, আব্দুর রশিদ, শাকিলসহ ১০ থেকে ১২ জন। এ ঘটনায় ১৬ এপ্রিল ধর্ষিতার স্বামী ছিদ্দিক বাদী হয়ে পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে অভিযাগে দায়ের করেন। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা