kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

বাঘায় মাদকের সাথে জড়িতদের দেওয়া হলো মনোনয়ন

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৯:৪৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাঘায় মাদকের সাথে জড়িতদের দেওয়া হলো মনোনয়ন

রাজশাহীর বাঘায় দীর্ঘ ১৭ বছর পর আগামী ১৪ অক্টোবর ৭ ইউনিয়নের মধ্যে ৪টিতে হতে যাচ্ছে ইউপি নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে মনোনয়ন জমা এবং যাচাই-বাছাই পর্ব এর মধ্যে শেষ করেছে উপজেলা নির্বাচন অফিস। এর মধ্যে একটি ইউনিয়নে মাদক মামলায় অভিযুক্ত একজন স্থানীয় বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং দুজন সাধারণ প্রার্থীর নামে মাদকের মামলা রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে একজন সদস্য প্রার্থী এই মুহূর্তে কারাগারে রয়েছেন। 

উপজেলা নির্বাচন অফিসার মজিবুল আলম জানান, আগামী ১৪ অক্টোবর বাঘার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে চারটি যথাক্রমে বাজুবাঘা, গড়গড়ি, পাকুড়িয়া এবং মনিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ এর নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সে লক্ষ্যে গত ১৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে ২২ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন প্রতাহারের শেষদিন এবং ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। 

অভিযোগ উঠেছে যে সকল প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে তাদের মধ্যে মনিগ্রাম ইউনিয়ন স্থানীয় বিএনপি যাকে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে চূড়ান্ত করেছেন মজিবুর রহমান জুয়েল তার নামে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইল থানায় একটি মাদকের মামলা রয়েছে। সেই মামলায় তিনি দীর্ঘসময় কারাবাস করেন। তবে জুয়েল দাবি করেছেন, উক্ত মামলায় তিনি প্রথম দিকে হাজত খাটলেও পরবর্তীতে আদালতের রায়ে খালাস পেয়েছেন। 

এই ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য পদে যে দুই প্রার্থীর নামে মাদক মামলা রয়েছে তারা হলেন ১ নম্বর ওয়ার্ড ভানুকর গ্রামের আব্দুর রহমান এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড মহদীপুর গ্রামের রিয়াল আহাম্মেদ। এদের মধ্যে কয়েকমাস পুর্বে চারঘাট থানায় ইয়াবা জব্দকৃত মামলায় হাজত খেটে জামিনে বের হয়েছেন আব্দুর রহমান। তিনি এলাকায় গরু ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচিত। 

অপরজন রিয়াল তিনি কুখ্যাত মাদক কারবারি। তার নামে বাঘা ও চারঘাটসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে। বর্তমানে তিনি রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে নিজ নামের কলঙ্ক ঘুচাতে সাধারণ সদস্য প্রার্থী হয়েছেন বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের। 

এ বিষয়ে বাঘার স্থানীয়দের সাথে কথা বললে তারা বলেন, দলের মধ্যে একাধিক ভালো প্রার্থী থাকার পরেও যার মধ্যে স্বচ্ছতা নেই এমনকি মাদক মামলা অভিযুক্ত এধরনের ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান প্রার্থী করা ঠিক হয়নি।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মজিবুল আলম বলেন, পূর্বের নীতিমালা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি যদি  আদালতের রায়ে অভিযুক্ত প্রমাণিত হয়ে কারাবাস করেন তাহলে সেখান থেকে বের হওয়ার ৫ বছর পর্যন্ত তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এ দিক থেকে যে তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তারা কেউই এ রায়ের আওতায় পড়েনি। এর মধ্যে একজন সদস্য বিধিমোতাবেক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জেল থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা