kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

কেশবপুর

কৃষকের ভরসা কবিরাজ!

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি    

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১২:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কৃষকের ভরসা কবিরাজ!

যশোরের কেশবপুরে গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ (পক্স জাতীয়) রোগ নিরাময়ে কবিরাজের ওপর নির্ভর হচ্ছেন কৃষকরা। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গরুর এ রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গরুর লাম্পি স্কিন রোগের এখনো পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিন তৈরি হয়নি।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলেও গরুর এ রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। এ রোগের কোনো ভ্যাকসিন তৈরি না হওয়ায় আক্রান্ত গরুর মালিকরা কবিরাজি চিকিৎসার ওপর নির্ভর হয়ে পড়ছেন। আক্রান্ত গরুর গায়ে নিম, নিশিন্দার পাতা জড়িয়ে রাখার পাশাপাশি কবিরাজি চিকিৎসা করাচ্ছেন। প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্র জানায়, এ রোগ সারতে যাঁরা কবিরাজি চিকিৎসার পাশাপাশি নিম, নিশিন্দার পাতা জড়িয়ে ভালো করার চেষ্টা করছেন, তাঁরা ভুল করছেন। আক্রান্ত গরু প্রাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শে চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত।

উপজেলার মূলগ্রামের কৃষক বিমল দত্তের একটি গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় দেড় মাস আগে। তিনি জানান, গরুর অবস্থা ক্রমেই খারাপ হওয়ায় এখন শরীরে নিমের পাতা বেঁধে রাখা হচ্ছে। গরুর পুরো শরীরে রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। গরু বেশ দুর্বল হয়ে পড়ায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না। হাঁটু গেড়ে খাবার খাচ্ছে। কৃষক বিমল দত্ত আরো জানান, মশা-মাছি থেকে গরুকে রক্ষা করার জন্য শরীরে নিমের পাতা জড়িয়ে রাখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. অলোকেশ কুমার সরকার বলেন, ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ জাতীয় রোগ মশা-মাছি থেকে ছড়ায়। এ রোগের এখনো পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিন তৈরি হয়নি। আক্রান্ত গরু ভালো হতে অনেক সময় লাগে। সাধারণ চিকিৎসা দিয়েই আক্রান্ত গরু ভালো করা হচ্ছে। যাঁরা আক্রান্ত গরুর গায়ে নিম, নিশিন্দার পাতা জড়িয়ে রাখার পাশাপাশি কবিরাজি চিকিৎসা করাচ্ছেন, তাঁরা ভুল করছেন। প্রাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শে চিকিৎসায় গরু ভালো হচ্ছে। এ ছাড়া গরুর এ রোগ সম্পর্কে ঢাকার রোগ অনুসন্ধান ল্যাবরেটরিতে জানানো হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা