kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১            

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন, ১৯ দিন পর অপহরণ!

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০১:৪৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন, ১৯ দিন পর অপহরণ!

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া কানিকশালগাঁয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক সাজেদুল ইসলাম সজলের বাড়িতে অনশনের ১৯ দিন পর সেই তরুণী অপহরণ হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সন্ধ্যার পর থেকে সেই তরুণীকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত প্রেমিক সাজেদুল ইসলাম সজল ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা রুহিয়া কানিকশালগাঁয়ের হামিদুল ইসলামের ছেলে। এ ছাড়া সজল রুহিয়া ২০নং ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি।

তরুণীর বড় ভাই ও প্রতিবেশীরা জানান, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সজল দুই বছর যাবত প্রেম ও একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের পরও বিয়ে না করায় ২৬ জুন সদর উপজেলা রুহিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ওই তরুণী। সেই মামলায় সজল হাইকোর্ট থেকে জামিনে বেরিয়ে আসলে গত ২৮ আগস্ট থেকে ওই তরুণী বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন শুরু করেন। এর মধ্যে সজলের পরিবারের লোকজন তরুণীকে মারধর ও ঘরে তালাবদ্ধ করে আটক রাখার অভিযোগে তরুণীর বাবা অভিযুক্ত সজলসহ আরো দশজনকে আসামি করে ৯ সেপ্টেম্বর আরো একটি মামলা দায়ের করেন। গত রবিবার সরাদিন ওই তরুণীকে সজলের বাড়িতে দেখা গেলেও সন্ধ্যার পর তাকে আর দেখা যায়নি।

তরুণীর বাবা জানান, প্রতিবেশীদের কাছে তার মেয়ের নিখোঁজের খবর পেয়ে সজলের বাড়ি ও আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে খোঁজ নেন। কিন্তু কোথাও তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি আরো অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে সজল ও তার পরিবারের লোকজন মেরে ফেলার উদ্দেশে অপহরণ করেছে।

এদিকে সজলের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়রা বলছেন, তরুণী সজলের বাড়িতে অবস্থান নেওয়ার পর থেকে সজল আত্মগোপনে রয়েছে। আর সজলের পরিবারের কেউ এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

রুহিয়া থানার ওসি প্রদিপ কুমার জানান, অপহরণের বিষয়টি তিনি অবগত নন। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরো জানান, এ বিষয়ে গত ২৬ জুন একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে আসামি সজলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে হাইকোর্টে সজলের জামিন হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা