kalerkantho

মঙ্গলবার । ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ কাতির্ক ১৪২৬। ২২ সফর ১৪৪১            

পুরাতন খোয়াই নদী উদ্ধারে অভিযান শুরু

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুরাতন খোয়াই নদী উদ্ধারে অভিযান শুরু

পুরাতন খোয়াই নদী দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে হবিগঞ্জে। দখলদার হিসেবে চিহ্নিত ৬শ’ পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা করেছে জেলা প্রশাসন। এ তালিকা ধরে সোমবার শহরতলীর মাছুলিয়া অংশে অভিযান পরিচালিত হয়। অবৈধভাবে গড়ে তোলা স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

সূত্র জানায়, প্রায় তিন যুগ আগে নদী শাসনের মাধ্যমে খোয়াই নদীর গতিপথ পরিবর্তন করা হয়। শহরের ভেতরে পাঁচ কিলোমিটার অংশ পুরাতন নদীতে পরিণত হয়। এরপর সেখানে অব্যাহত দখলের ফলে নদীটি এখন নালায় পরিনত। দখলদারদের তালিকায় রয়েছেন রাজনীতিবিদসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও। এমনকি সরকারিভাবে নদী ভরাট করে নির্মাণ করা হয়েছে জেলা পরিষদ ভবন, মেজর জেনারেল এম এ রব স্মৃতি পাঠাগার ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ। বারবার স্থগিত হয়েছে উচ্ছেদ প্রক্রিয়া। অবশেষে সোমবার শুরু করা খোয়াই নদী উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাখাওয়াত হোসেন রুবেল। উপস্থিত রয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসিন আরাফাত রানাসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। গত কয়েক দিনে জরিপ করে দখলদারের নাম তালিকাভূক্ত করা হয়েছে। তবে মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসা ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্থাপনা উচ্ছেদের ক্ষেত্রে পর্যালোচনা করা হবে।

হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ বলেন, 'প্রায় ৬শ পরিবার এবং প্রতিষ্ঠান খোয়াই দখল করে রেখেছে। পর্যায়ক্রমে সব উচ্ছেদ করা হবে। জেলা পরিষদ থেকে মাছুলিয়া পর্যন্ত খনন কর্মসূচির মাধ্যমে পুরাতন নদী উদ্ধার করা হবে। নদীর আড়াই কিলোমিটার এলাকাকে নান্দনিক করাসহ খোয়াই রিভার সিস্টেম উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ১ হাজার ৮৭২ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল। যা বর্তমানে ২ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।'

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, 'পুরাতন খোয়াই নদী দখলমুক্ত করার জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছি। হবিগঞ্জ শহরকে বাঁচানোর জন্যই এই নদী উদ্ধার প্রয়োজন। জেলা প্রশাসন উচ্ছেদ অভিযান শুরু করায় আমরা আনন্দিত।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা