kalerkantho

বুধবার । ১৬ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৬ সফর ১৪৪১       

রায়পুরা পৌর চত্বর : সৌন্দর্য বর্ধনের পরিবর্তে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ!

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি   

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৬:৪৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রায়পুরা পৌর চত্বর : সৌন্দর্য বর্ধনের পরিবর্তে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ!

যতটুকু সৌন্দর্য বর্ধনের প্রয়োজন তার ছিটে ফোটাও নেই নরসিংদীর রায়পুরা পৌরসভায়। পাঁচ বছর আগে রায়পুরা বাসস্ট্যান্ড এলাকার ব্যস্ততম স্থানটির বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে পৌরসভার সৌন্দর্য বর্ধন ও নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে পৌর গোল চত্বরটি নির্মাণ করা হয়।

ওই সময় চত্বরের প্রাচীর নির্মাণ করেই কাজ সমাপ্ত করায় গত পাঁচ বছরে এখানে নির্মিত হয়নি কোনো ভাষ্কর্য। শুরুতেই চত্বরটি অরক্ষিত থাকায় এর ভেতরে অবাধে ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা। দিনে দিনে চত্বরটি পরিণত হয়েছে বিশাল ভাগাড়ে। জমে থাকা ময়লা থেকে সৃষ্ট দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতার ও ব্যানার ও ফেস্টুন ছেয়ে গেছে চত্বর। ফলে সৌন্দর্য বর্ধনের পরিবর্তে চত্বরটি এখন পৌরবাসীর কাছে পরিচিত অসৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে।

গত সাত মাস আগে কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে চত্বরে পরিস্থিতি নিয়ে নিউজ ছাপা হলে রায়পুরা পৌর মেয়র জামান মোল্লা পরিচ্ছন্নতা কর্মী দিয়ে চত্বরটি পরিষ্কার করেন এবং প্রতিশ্রুতি দেন পূনঃনির্মাণের। যা শুধু প্রতিশ্রুতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। বাস্তবে তার দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, চত্বরের ভেতরের অংশে বাঁশের খুঁটি দিয়ে টানানো রয়েছে রায়পুরা উপজেলা পরিষদের নর্বনির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ তাহমিলা মানিকের একটি বিশাল বড় ফেস্টুন। পুরো চত্বর জুড়েই রয়েছে ক্ষমতাশীন দলের রাজনৈতিক নেতার এমন ব্যানার ও ফেস্টুন। ভেতরের অংশে তৈরি হয়েছে বিশাল ময়লার স্তুপ। সেই ময়লার স্তুপ থেকে ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ। যা চারপাশের পরিবেশকে দূষিত করছে। চত্বরের জন্মেছে সবুজ গুল্ম জাতীয় লতাপাতা। তার পাশেই বসেছে কয়েকটি অস্থায়ী দোকান।

এদিকে পৌরবাসীর অভিযোগ চত্বরটি যানবাহন ও মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচলে সুবিধার্থে করা হলেও তা এখন উল্টো দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চত্বরের প্রাচীর অনেকটা জায়গা নিয়ে করায় চারপাশের রাস্তা অনেকটা কমে গেছে। ফলে বড় কোনো যানবাহন যেমন বাস বা ট্রাক ঘোরানো যায় না। দিনের অনেকটা সময় লেগে থাকে যানজট। তিন চাকার সিএনজি, অটোরিকশা, রিকশা পারকিং করতেও হচ্ছে সমস্যা। হাল্কা বৃষ্টিতেই চত্বরের চারপাশে দেখা দেয় জলবদ্ধতা। এতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়তে হয় পৌরবাসীকে।

এ ব্যাপারে রায়পুরা পৌরসভার মেয়র জামার মোল্লা বলেন, যানবাহন ও পথচারীর নির্বিঘ্নে চলাচলের সুবিধার্থে চত্বরের অবকাঠামোটি আরো ছোট পরিসরে নির্মাণ করা হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যেই টেন্ডার দেওয়া হবে। জলাবদ্ধা নিরসনে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে তিনি জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা