kalerkantho

রবিবার । ২০ অক্টোবর ২০১৯। ৪ কাতির্ক ১৪২৬। ২০ সফর ১৪৪১                

কাউখালীতে গ্যাংওয়ে দেবে ফেরি চলাচল বন্ধ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পিরোজপুর   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২১:১২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কাউখালীতে গ্যাংওয়ে দেবে ফেরি চলাচল বন্ধ

পিরোজপুরের কাউখালীর সন্ধ্যা ও গাবখান নদী মোহনায় আমরাজুড়ি-আশোয়া ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ফেরিঘাটের আশোয়া ঘাট এলাকার গ্যাংওয়ে সন্ধ্যা নদীর ব্যাপক ভাঙনের কবলে পড়ে নোঙর করা ফেরিটি ৪/৫ হাত দেবে গেলে এ রুটে আজ শনিবার সকাল থেকে ফেরি পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। এতে তিনটি রুটের সাথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে।

আমরাজুড়ি-আশোয়া ফেরি চালক মো. আরিফ হোসেন ফেরি নদী ভাঙনের ফেরি দেবে পারপার বন্ধ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে এ রুটের আশোয়া ঘাটে ফেরিটি নোঙর করা ছিল। রাত দুইটার দিকে হঠাৎ করে ঘাট এলাকায় তীব্র ভাঙন দেখা দেয়। এ সময় ফেরিঘাটের গ্যাংওয়ে নদী গর্ভে বিলীন হয়। ফেরিটি ঘাট এলাকা থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার আগেই ভাঙনের কবলে পড়ে ফেরিটি পন্টুনসহ ৪/৫ ফুট দেবে যায়। শনিবার ভোর ছয়টার দিকে ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে গেলে পুরোঘাটটি বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় ফেরিটি আটকা পড়ে যায়। ক্রেনের সাহায্য ছাড়া ফেরি স্থানান্তরের কোনো উপায় না থাকায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় এ স্বরূপকাঠি-কাউখালী-পিরোজপুর, স্বরুপকাঠি-খুলনা ও পিরোজপুর-স্বরূপকাঠি-বানারী পাড়া রুটের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। গ্যাংওয়ে মেরামত ছাড়া ফেরি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, কাউখালীর সন্ধ্যা নদী ও গাবখান মোহনায় আমরাজুড়ি-আশোয়া ফেরি ২০০৫ সালে চালু করা হয়। তৎকালীন সংসদ সদস্য শহীদুল হক জামাল ফেরিঘাটটি উদ্বোধন করেন। ১৯৮৩ সালে তৈরি দুটি পন্টুন স্থাপন করে ঘাটটি চালু করা হয়। কিন্তু নদী মোহনার ফেরিঘাটের দুই পারে ভাঙনে ফেরিঘাট বিপন্ন হয়ে প্রায়ই জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হলেও ভাঙন রোধে কোনো পাইলিং কিংবা ব্লক নির্মাণ করা হয়নি। গত আগস্ট মাসে দুবার ভাঙনের কবলে পড়ে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়েছিল। ফলে পুরানো পন্টুন আর ভাঙন কবলিত গ্যাংওয়ে দিয়ে এ রুটে ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার চলে আসছে।

ফেরিঘাট ইজারাদার মো. আকবর হোসেন দুলাল বলেন, পুরানো দুই পন্টুন আর দুই পারে নদী ভাঙনে ফেরিঘাটটি প্রায়ই বন্ধ হয়ে পড়ে। নদী ভাঙন রোধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এ রুটটি এখন চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ মাহমুদ সুমনকে কয়েকদফা মোবাইলে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা