kalerkantho

৯ দিনেও ফেরত আসেনি লাশ, ফিরে পেতে স্বজনদের মানববন্ধন

নীলফামারী প্রতিনিধি   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২২:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৯ দিনেও ফেরত আসেনি লাশ, ফিরে পেতে স্বজনদের মানববন্ধন

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি বাবুল মিয়ার (২৪) লাশ ও আটক সাইফুল ইসলামকে (১৪) ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের কালিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে এলাকার সকল শ্রেণি-পেশার সহস্রাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। 

এ সময় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা দেন পূর্বছাতনাই ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান, নিহত বাবুলের স্ত্রী রজিফা বেগম, বাবা নুর মোহাম্মদ ও  মা আছিয়া খাতুন, বড় ভাই রাসেল মিয়া, ছোট ভাই লিটন ও খোকন, বোন পারভিন আক্তার, নার্গিস আক্তার, সিমু আক্তার, আন্না বেগম। তারা ৫১ বিজিবির সহযোগিতায় নিহত বাবলু ও বিএসএফের কাছে আটক থাকা সাইফুলকে ফেরতের দাবি জানান। 

ঘটনায় ৯ দিনেও লাশ ফেরত না পেয়ে কথা বলার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবলুর পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাদের কান্না নাড়া দেয় উপস্থিত সকলের হৃদয়ে।

পূর্বছাতনাই ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান জানান, আমরা নিহত বাবুলের লাশ ও আটক সাইফুল ইসলামকে ফেরত চেয়ে ৫১ বিজিবির অধিনায়ক এবং ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছি। ঘটনার ৯ দিন অতিবাহিত হলেও এর কোনো সমাধান না হওয়ায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩ সেপ্টেম্বর সকালে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা ও লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম তিস্তা নদীর চর সীমানায় গরু চরাতে ও ঘাস কাটতে গেলে সীমান্তের ৭৭২ প্রধান পিলারের কাছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গুলিতে ডিমলা উপজেলার পশ্চিমছাতনাই ইউনিয়নের কালিগঞ্জ গ্রামের বাবুল মিয়া (২৪) নিহত হয়। এ সময় পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেশ্বর গ্রামের ১৪ বছরের বালক সাইফুল ইসলাম আহত হয়। বাবলুর লাশসহ আহত সাইফুলকে বিএসএফ ভারতে নিয়ে যায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা