kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

পাকুন্দিয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগের নামে লাখ টাকা আত্মসাৎ!

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২০:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাকুন্দিয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগের নামে লাখ টাকা আত্মসাৎ!

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের গাংধোয়ারচর গ্রামের হতদরিদ্রদের কাছ থেকে এ টাকা আদায় করেছেন একই গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য বজলুল হক।

ভূক্তভোগী গ্রাহকরা জানান, ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে ৩৪ জন গ্রাহকের কাছ থেকে জন প্রতি দুই হাজার থেকে ১৭ হাজার টাকা করে প্রায় এক লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বজলুল হক। দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ সংযোগ না পাওয়ায় বজলুল হকের কাছে টাকা ফেরত চাইলে 'দেই-দিচ্ছি' বলে ঘুরাচ্ছেন। এখনো টাকা ফেরত দেননি।

গাংধোয়ারচর গ্রামের আবদুল কদ্দুছ জানান, ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তার একটি মিটারের জন্য ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন বজলুল হক। কিন্তু আজও তিনি বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পারেননি। 

একই গ্রামের ভূক্তভোগী মোহাম্মদ আলী, দুলাল, শহীদুল্লাহ ও মুকবুলসহ কয়েকজন জানান, তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে বজলুল হক দুই হাজার টাকা করে নিয়েছেন। টাকা ফেরত চাইলে 'দেই-দিচ্ছি' বলে ঘুরাচ্ছে। 

ভূক্তভোগী মোহাম্মদ আলী বলেন, বজলুল হক যাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন তাদের প্রত্যেকেই হতদরিদ্র। অন্যের জমিতে দিনমুজুরি করে সংসার চালায়। তাদের টাকাগুলো উদ্ধারের জন্য আমি ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বজলুল হক তার ওপর আনীত টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য তিনি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। 

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কিশোরগঞ্জ জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মফিজুল ইসলামকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি।

কিশোরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির হোসেনপুর জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক আবদুর রহমান জানান, বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য চরফরাদী ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের তালিকা এই অফিসে রয়েছে। তবে গাংধোয়ারচর গ্রামের কোনো তালিকা এই অফিসে নেই। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা