kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নন্দীগ্রামে খরার তীব্রতায় পুড়ছে আমন ক্ষেত

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৩:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নন্দীগ্রামে খরার তীব্রতায় পুড়ছে আমন ক্ষেত

প্রচণ্ড তাপদাহ ও বৃষ্টির জন্য হাহাকার। বগুড়ার নন্দীগ্রামে উপজেলার খরার তীব্রতায় রোপা আমন ধানের জমি ফেটে চৌচির। ফলে ক্ষেতের ধান বাঁচানো এখন কৃষকদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও কৃষক শ্যালো মেশিন বা বৈদ্যুতিক মোটরের মাধ্যমে রোপা আমন ধানের জমিতে সেচ দিচ্ছেন।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই উপজেলায় এবার আমন আবাদ করা হয়েছে ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে। এখন ধানের থোড় (ছড়া) বের হওয়ার সময়। জমিতে সেচের প্রয়োজন। অনেকে সেচ দিয়ে ধান বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। 
কৃষকরা জানান, ধানের গাছ এখনো বেশ পরিপুষ্ট। তবে পানির অভাবে কোথাও কোথাও ধান গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে।

মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ সবুজে সমারোহ। কৃষকের স্বপ্ন লুকিয়ে আছে সবুজ ধান ক্ষেতের মাঝে। এই সবুজ ধান ক্ষেত ঘিরে কৃষকের রয়েছে অনেক স্বপ্ন। বাজারে ধানের দাম নেই। তার পরেও কৃষক ধান চাষ ছাড়ছেন না। ঘরে ধানের ভাত খাবেন এই আশায়। আবার ধান কেটে ঘরে তুলে জমিতে চাষ করবেন রবি শস্য।

এদিকে বৃষ্টির অভাবে প্রায় জমিগুলো ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। ক্ষেতেগুলোতে গভীর বা অগভীর নলকূপ দিয়ে সেচ দেওয়া হচ্ছে। তবে রোদের তীব্রতায় ফসলের মাঠ শুকিয়ে যাচ্ছে। সহসা বৃষ্টিপাত না হলে এই উপজেলার আমন আবাদ এবার চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

এ বিষয়ে উপজেলার তৈয়বপুর গ্রামের বাবু মিয়া জানান, বৃষ্টির পানি না থাকায় জমি ফেটে যাচ্ছে। এখন শ্যালো মেশিন দিয়ে সেচ দিতে হবে। পানির অভাবে কিছু কিছু জমির ধান গাছ বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। কৃষক আকরাম হোসেন বলেন, বৃষ্টির পানিতে রোপা আমন ধানের ফলন ভালো হয়। কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ায় শ্যালো ও বৈদ্যুতিক মোটর চালিয়ে জমিতে সেচ দিতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ মশিদুল হক বলেন, বৃষ্টির অভাবে আমন জমি ফেটে গেছে। এতে আমন ধানের কোনো ক্ষতি হবে না। কৃষকদের শ্যালো মেশিন বা বৈদ্যুতিক মোটর চালিয়ে জমিতে সেচ দিচ্ছেন। এছাড়া তাপদাহ মোকাবেলা করে আমন চাষ করার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা