kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

তিন রোহিঙ্গার ভুয়া পাসপোর্ট

দালাল, জনপ্রতিনিধি পুলিশ সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৩:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দালাল, জনপ্রতিনিধি পুলিশ সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ

চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার হওয়া তিন রোহিঙ্গার পাসপোর্ট তৈরিতে দালালচক্র, জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই তিনজনই ঠিকানা হিসেবে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার দুটি গ্রামের নাম ব্যবহার করেছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় ভিসা আনতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার হন তিন রোহিঙ্গা। তাঁরা হলেন মোহাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ মুছা ও মোহাম্মদ আজিজ। ইউসুফ ও মুছা দুই ভাই। 

নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ইউসুফ আর মুছার নামে গত ২৪ ডিসেম্বর পাসপোর্ট ইস্যু হয়। পাসপোর্টে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাদরা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নজরপুর গ্রামের নাম লেখা। আজিজের নামে পাসপোর্ট ইস্যু হয় গত ২২ জানুয়ারি। স্থায়ী ঠিকানা লেখা হয়েছে সেনবাগ উপজেলার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সেনবাগ গ্রাম।

কাদরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান, ইউসুফ, মুসা ও আজিজের জন্ম নিবন্ধন ২০১৫ সালের ২৮ জানুয়ারি ইস্যু করা। নিবন্ধনের খাতায় বা অনলাইনে এগুলোর অস্তিত্ব নেই। তিনি দাবি করেন, ‘আমি ২০১৬ সালের ২১ ডিসেম্বর চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিই। আর চেয়ারম্যানের নাগরিক সনদ দেখানো হয়েছে ২০১৮ সালের। আর সনদ আমাদের কার্যালয়ের নয়।’

জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক (ডিআইওয়ান) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, নোয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে তিনি নথিপত্র যাচাই করেছেন। তাতে দেখা গেছে, কাদরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামরুজ্জামান কর্তৃক নাগরিক সনদ দেওয়া হয়েছে। সাবেক চেয়ারম্যান মো. ওবায়দুল হক দিয়েছেন জন্ম নিবন্ধন সনদ।

আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ওই তিন রোহিঙ্গা যুবকের পাসপোর্টের আবেদনপত্র তদন্ত না করেই প্রতিবেদন দিয়েছিলেন উপসহকারী পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ ও নুরুল হুদা। আর বিষয়টি তাঁরা স্বীকার করেছেন।’ তিনি জানান, ভুয়া প্রতিবেদন তৈরি করা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিএসবির উপপরিদর্শক নুরুল হুদা দায়িত্বে অবহেলার কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘ওই দুই ভাইয়ের তদন্ত আমি করেছি কি না তা রেকর্ড না দেখে বলতে পারব না। তবে ভুল হতে পারে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা