kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ধলেশ্বরী নদীতে মিলল শ্রমিকের ভাসমান লাশ

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:৫৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ধলেশ্বরী নদীতে মিলল শ্রমিকের ভাসমান লাশ

প্রতীকী ছবি

কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন নতুনচর খাড়াকান্দি এলাকার ধলেশ্বরী নদী থেকে মো. রবিন সিকদার (২২) নামের এক শ্রমিকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। 

গতকাল শনিবার রাত ৮টায় পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। নিহত রবিনের গ্রামের বাড়ি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার পূর্ব আগলা এলাকায়। তার বাবার নাম মো. মোস্তফা সিকদার। নিহতের দুই মামা ঘটনাস্থলে এসে লাশ শনাক্ত করে। 

নিহত রবিনের মামা আলম মিয়া জানান, নিহত রবিন আমার বোনের ছেলে। সে দিনমজুরের কাজ করতেন। যেদিন যে কাজ পান সে কাজই করতেন। শুক্রবার দুপুরে রবিনের বন্ধুরা মানিকগঞ্জ জেলার সদর থানার বালিরটেক এলাকায় নৌকা বাইচ দেখার জন্য (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) তাকে বাসা ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে রবিন আর বাসায় ফিরে আসে নাই। তার সঙ্গে যাওয়া সকল বন্ধুই বাসায় চলে আসে। তাদের জিজ্ঞাসা করলে তারা জানায় আমাদের সবার সঙ্গে রবিনও নৌকা বাইচ দেখে চলে আসে।

এলাকায় আসার পর থেকে যে যার মতো বাড়ি চলে যায় বলেও জানায় তার বন্ধুরা। এরপর থেকে আমরা বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজন ও সম্ভাব্যস্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকি। সারা রাত রবিনকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে শনিবার সকালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। 
এরপর আমরা জানতে পারি কেরানীগঞ্জের খাড়াকান্দি এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে একটি ছেলের লাশ ভাসতেছে। এ খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আমার ভাগ্নে রবিনের লাশ ভাসতেছে। এরপর থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ নিয়ে আসে। আমার ভাগ্নের শরীরে অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমার ধারণা নৌকা বাইচ দেখতে যাওয়া রবিনের সঙ্গে থাকা বন্ধুরাই তাকে মেরে নদীতে ফেলে দিয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন কলাতিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই বিপুল চন্দ্র দাস জানান, শনিবার রাত ৮টায় লোকমুখে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রবিনের লাশ ভাসতে দেখি। সেখানে আমাদের যাওয়ার আগে রবিনের দুই মামা আলম খান ও রশিদ খান উপস্থিত হয়ে লাশ শনাক্ত করে। নিহত রবিনের বুকের বাম পাশে তিনটি ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, যেহেতু নিহত ছেলেটি শুক্রবার নবাবগঞ্জ থানা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ ছিল। এবং ওই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। এ জন্য নিহতের পরিবার যেখানে মামলা করবে সেখানেই মামলা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা