ভাঙ্গায় ঘুমন্ত স্বামী হানিফ শেখের (২৭) গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৬টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার হোগলাডাঙ্গী সদরদী মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় হানিফকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের পুখুরিয়া এলাকার রফিক শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। স্ত্রীর নাম সুমাইয়া আক্তার (২২)। তার বাড়িও একই এলাকায়। তবে সম্প্রতি তারা ভাঙ্গা পৌরসভার হোগলাডাঙ্গী সদরদী মহল্লায় একটি ভাড়াবাসায় বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় মাস আগে তারা হোগলাডাঙ্গী সদরদী মহল্লার মো. বদিউজ্জামানের বাড়িতে ভাড়া ওঠেন। এরপর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগে থাকত। রবিবার (২৮ জুন) রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। সোমবার (২৯ জুন) সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামী হানিফের গোপনাঙ্গ কেটে দেন তার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার। হানিফের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত সুমাইয়া আক্তারকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে থানায় নিয়ে যায়।
ভাঙ্গা থানার ডিউটি অফিসার এএসআই শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে অভিযুক্ত সুমাইয়া আক্তারকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’






