kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

গফরগাঁওয়ে রাস্তার বাঁকে মৃত্যুর হাতছানি

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১০:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গফরগাঁওয়ে রাস্তার বাঁকে মৃত্যুর হাতছানি

ময়মনসিংহের গফরগাঁও পৌর শহর থেকে মশাখালী রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত রেল সড়কের পাশে চমৎকার সমান্তরাল পাকা রাস্তায় প্রতিদিন শত শত যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু উপজেলার বাসুটিয়া গ্রামের রেলব্রিজে রাস্তাটির ভয়ংকর বাঁক দ্রুতগামী যানবাহনকে যেন মৃত্যুর হাতছনি দিয়ে ডাকে। এ পর্যন্ত বাঁকটিতে অসংখ্য দুর্ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকাবাসীর দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে স্থানীয় সংসদ সদস্য ফাহমী গোলন্দাজ বাবেলের উদ্যোগে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথের গফরগাঁও-মশাখালী রেল সড়কের পাশের রাস্তাটি পাকা করা হয়। প্রতিদিন শত শত যানবাহন রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু উপজেলার বাসুটিয়া গ্রামে রেলব্রীজের জন্য রাস্তাটি ভয়ংকর ভাবে বাঁকা হয়ে ঘুরে গেছে। ফলে এই বাঁকটিতে প্রায়েই দুর্ঘটনা ঘটে।

শিলাসী গ্রামের আবুল কাশেম বেপারীর ছেলে শহীদ রাতে মটরসাইকেল নিয়ে আসার সময় বাঁকটিতে পড়ে হাত-পা ভেঙে প্রায় ছয় মাস শয্যাশায়ী ছিলেন। শহীদের মতো বহু দুর্ঘটনা বাঁকটিতে এ পর্যন্ত ঘটেছে। দ্রুতগামী মটরসাইকেল বা যানবাহন বাঁকটির কাছে এসে গতিরোধ করতে না পেরে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। কিন্তু রেল ব্রীজের পাশে সমান্তরাল একটি সড়ক ব্রীজ তৈরি হলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতো।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম খোকন বলেন, আমাদের সংসদ সদস্য জননেতা ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল জনগণের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে রাস্তাটি পাকা করে দিয়েছেন। বাসুটিয়া গ্রামের এই রেলব্রীজের বাঁকটিতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে উঠতি বয়সের তরুন মটরসাইকেল আরোহীরা বা দ্রুতগামী যানবাহন বাঁকটিতে গতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়ে দুর্ঘটনা ঘটায়।

উপজেলা প্রকৌশলী তফাজ্জল হোসেন বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ অনুমতি না দেওয়ায় রেলব্রীজের পাশে সমান্তরাল সড়ক ব্রীজ নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। রাস্তাটি অনেকটা বাঁকা করে একটু দূরে সড়ক ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। তবে বাঁকটি সোজা করতে পারলে দুর্ঘটনার আশংকা কমে যেত।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা