kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আশুগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সম্মেলন-সভা নিয়ে উত্তেজনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২১:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আশুগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সম্মেলন-সভা নিয়ে উত্তেজনা

একদিনে চলছে সম্মেলন। আরেকদিকে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের রায় কার্যকর দাবির সভা। একপক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক। আরেক পক্ষে যুগ্ম আহ্বায়ক। পক্ষে বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে আওয়ামী লীগের এমন সমীকরণের মাঝখানে ছিল পুলিশ। নির্ধারিত সময়ে সম্মেলন ও সভা করেছে দুই পক্ষ। বর্তমান সভাপতি ও সম্পাদককে ছাড়াই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি ও সম্পাদক যোগ দেন সভায়। এ নিয়ে ছিল চরম উত্তেজনা। তবে কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। অবশ্য দুই পক্ষই অনেকটা সংক্ষেপ করে এসব আয়োজন শেষ করেন। 

দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্মেলনকে ঘিরে আশুগঞ্জ আওয়ামী লীগের বিরোধ স্পষ্ট। উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের প্রস্তুতি হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ে সম্মেলন করার ঘোষণা দেন আহ্বায়ক মো. ছফিউল্লাহ মিয়ার পক্ষ। অন্যদিকে ইউনিয়নসহ সকল ইউনিটের মেয়াদ থাকায় সম্মেলন না করার পক্ষে যুগ্ম-আহ্বায়ক আবু নাসেরের পক্ষ। 

এ অবস্থায় আজ শুক্রবার বিকেলে লালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলন ডাকে হাজি ছফিউল্লাহ’র পক্ষে হিসেবে পরিচিত লালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল খায়ের। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু খুনীদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের দাবিতে সভা ডাকেন লালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোর্শেদ আলম। 

এদিন বিকেলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোর্শেদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমানকে ছাড়াই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবুল খায়ের এতে সভাপতিত্ব করেন। তিনিই নতুন কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মো. ছফিউল্লাহ মিয়া।

একই সময়ে সম্মেলনের অনতিদূরেই মো. মোর্শেদ মিয়া সভাপতিত্বে সভা করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ। ওই সভায় সভাপতিসহ অন্যান্যদের অনুপস্থিতির সম্মেলনটি অবৈধ বলে দাবি করা হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতাদেরকে অবহিত করার কথা বলা হয়। 

এ বিষয়ে সম্মেলনের উদ্যোক্তা মো. আবুল খায়ের বলেন, সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে নিয়ে আমরা সভা করেছি। সেখানে বর্তমান সভাপতিকে বাদ দিয়ে আমাকে সভাপতি করা হয়েছে। একটি পক্ষ সভা বাধাগ্রস্ত করার জন্য আরেকটি সভা ডাকে। এতে কোনো সমস্যা হয় নি।

সভার উদ্যোক্তা মোর্শেদ মিয়া বলেন, সভাপতি ও সম্পাদককে ছাড়া কোনো সম্মেলন হতে পারে না। এটা আমরা মানি না। এ ছাড়া কমিটির মেয়াদ এখনো ১১ মাস রয়ে গেছে। বিষয়টি আমরা কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতাদেরকে অবহিত করেছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা