kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মানচিত্র থেকে বিলীনের আশঙ্কায় শাহজাদপুরের বহু গ্রাম

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৯:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানচিত্র থেকে বিলীনের আশঙ্কায় শাহজাদপুরের বহু গ্রাম

যমুনা নদীর পানি কমতে থাকায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার জালারপুর ইউনিয়নের বিশাল অংশ জুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া জেলার এনায়েতপুর থানার ঘাটাবাড়ি, বাঐখোলা, পাকুরতলা, আরকান্দি, ব্রাহ্মণগ্রাম, ভেকা ও হাটপাচিল গ্রামে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় এ সকল গ্রামের ২ শতাধিক ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন শত শত মানুষ। এ সকল পরিবার চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে। অসহায় এ সব মানুষ যমুনার ভাঙন রোধে তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণের দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে ভাঙন এলাকায় মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন।

এ দিকে আজ শুক্রবার ভাঙন কবলিত ঘাটাবাড়ি গ্রামের এরশাদ আলী, সুজাব আলী, আবু হানিফ, তয়জাল শেখ, কহিনুর বেগম, রুহুল সরকার, শহিদ আলীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, বন্যার পানি কমতে থাকায় যমুনা নদীতে গত দুইদিনে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনে বাঐখোলা গ্রামটি সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে। এলাকাবাসী সব হারিয়ে অন্যের জমিতে ঘর তুলে কোনো মতে মাথা গোঁজার ঠাই করেছে। কেউ কেউ গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে।

ভাঙন কবলিত অসহায় পরিবারগুলো জানায়, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভাঙন কবলিত ৬টি গ্রাম অচিরেই যমুনাগর্ভে বিলীন হয়ে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে।

এ বিষয়ে জালালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক, শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সিরাজগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে গেছেন। তারপরে ও তারা এখনো কোনো কার্যকরি পদক্ষেপ নেননি। ফলে গত ২ দিনে ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, একটি মসজিদ ও অসংখ্য বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসেইন খানঁ জানান, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে এর মধ্যেই সিরাজগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আশা করি অচিরেই তারা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা