kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড

১৮ শয্যার বিপরীতে চিকিৎসা নিচ্ছে ১৫০ জন

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ    

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৯:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৮ শয্যার বিপরীতে চিকিৎসা নিচ্ছে ১৫০ জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে কোরবানি ঈদের পর থেকেই শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এখানে শিশু ওয়ার্ডে ১৮টি আসন থাকলেও প্রতিদিন চিকিৎসা নিচ্ছে অন্তত ১৫০ জন শিশু। ওয়ার্ড ছাড়িয়ে রোগীদের অবস্থান ঠেকেছে বারান্দা ও সিঁড়ির ঢালে। বাড়তি রোগীতের চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন দুই চিকিৎসক ও সিস্টাররা।

হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে প্রবেশের আগেই বারান্দার দুধারে মেঝেতেই ঠাই হয়েছে এসব শিশুর। বারান্দার মেঝেতে ছোট শিশুকে কোলে নিয়ে বসে ছিলেন রেশমা খাতুন নামে এক মিশুর মাসহ অন্তত ২০ জন। রেশমা খাতুনের ফুটফুটে শিশুটির নিউমোনিয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বেড পাইনি, তাই মেঝেতে চাদর পেতে আশ্রয় নিয়েছি।

শুধু রেশমা খাতুন নয়, আরো অনেকেই শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য মেঝেতে জায়গা করে নিয়েছেন। ওয়ার্ডে ভর্তিকৃতদের পাশাপাশি আউটডোরেও চিকিৎসা দিতে হিমশিম অবস্থা চিকিৎসকদের।

সদর হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মো. মাহফুজ রায়হান বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশুদের পর্যবেক্ষণ করতে করতে বলেন, শিশুদের অধিকাংশই নিউমোনিয়া রোগী। এতো রোগীর ভর্তির কারণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে এ চিকিৎসক বলেন, ডেঙ্গুর সর্তকতা হিসেবে জ্বর হলেই হাসপাতালে শিশুদের নিয়ে আসছেন অভিভাবকরা। আমরাও বাড়তি সতর্কতা হিসেবে পর্যবেক্ষণে রেখেছি। ফলে হাসপাতালে ভর্তি থাকার সময়কাল বেড়ে যাচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের কনসালটেন্ট চিকিৎসক ডা. বেনজীর আহম্মদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ১০০ (নতুন ভবনসহ বর্তমানে ২৫০ শয্যা হলেও চালু হয়নি), শিশু ওয়ার্ডে বেড সংখ্যা ১৮ হলেও জনবল কাঠামো রয়েছে ৫০ শয্যার। পথ্য বরাদ্দ ১৮ শিশুর, ১০০ বেড হিসেব করলে ডাক্তার থাকার কথা ন্যূনতম ৪ জন। সেখানে আমরা মাত্র দুজন। প্রতিদিন প্রায় ১৫০ জনের বেশি রোগী ভর্তি থাকছে। এই নিয়ে আমাদের হিমশিম অবস্থা। জনবল কাঠামো না বাড়লে এ সমস্যা কাটানো যাবে না।

এমন অবস্থায় পর্যাপ্ত চিকিৎসক, ওষুধ, ইনজেকশনসহ সব ব্যবস্থা রাখার দাবি জানান হাসপাতালে আসা অভিভাবকদের অনেকেই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা