kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ-হত্যা, অপরাধী আটক

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ-হত্যা, অপরাধী আটক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শাহপুর গ্রামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় জড়িত ধর্ষক আবু রায়হান (২২) কে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া রায়হান বুধবার আদালতের কাছে ১৬৪ ধারায় ধর্ষণের পর ওই ছাত্রীকে শ্বাস রোধ করে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া রায়হান একই গ্রামের (শাহপুর) জামাল মিয়ার ছেলে।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে নবীনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাজু আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, গ্রেপ্তারের পর বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সারোয়ার আলমের কাছে ১৬৪ ধারায় আবু রায়হান ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।

পুলিশ জানায়, নিহত মাদরাসাছাত্রী ফাতেমা আক্তার (১০) ধর্ষক আবু রায়হানের ছোট বোনের সহপাঠী ছিল। সেই সুবাধে ফাতেমা তার বান্ধবীর সাথে দেখা করতে নিয়মিত আবু রায়হানদের বাড়িতে আসা-যাওয়া করত। ঘটনার দিন গত ২২ আগস্ট বিকেলে ফাতেমা দেখা করতে বান্ধবীর বাড়িতে আসে। কিন্তু সে সময় বান্ধবী বাসায় না থাকার সুযোগে আবু রায়হান ফাতেমাকে গাছ থেকে পেয়ারা পেড়ে দেওয়ার কথা বলে বাড়ির পাশের পুকুর পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে যাওয়ার পর একপর্যায়ে পুকুরের নির্জন স্থানে ফাতেমাকে ধর্ষণ করে রায়হান। এ সময় ফাতেমা চিৎকার করলে রায়হান তাকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে পুকুর পাড়েই ফেলে চলে আসে।

নবীনগর থানার ওসি রণজিত রায় কালের কণ্ঠকে বলেন, পুলিশ দ্রুত সময়ের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনসহ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে অভিভাবকেরা সচেতন না হলে, এমন ঘটনা রোধ করা যাবে না।
 
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) মো. মেহেদী হাসান বলেন, সকলের সার্বিক সহযোগিতা পাওয়ায় মাত্র ৪ দিনে এমন ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনসহ মূল ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা গেছে। এ জন্য মিডিয়াসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা