kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

চট্টগ্রামে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বললেন

বে টার্মিনালের ব্যাপারে অচিরেই সিদ্ধান্ত আসছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম    

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০২:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বে টার্মিনালের ব্যাপারে অচিরেই সিদ্ধান্ত আসছে

বে টার্মিনালের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। যেকোনো মুহূর্তে ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমাদের (সরকারের) পক্ষ থেকে স্টেকহোল্ডারদের আশ্বস্ত করা হয়েছে।’ গতকাল বুধবার সকালে নবগঠিত চট্টগ্রাম বন্দর উপদেষ্টা কমিটির প্রথম সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক অগ্রগতি ও সরকারের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা কথা বলেছেন। অবৈধভাবে যে বাল্ক হেড চলে তা বন্ধে ডিজি শিপিংকে বলা হয়েছে। তিনি (ডিজি) এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। আইএসপিএস কোড বাস্তবায়নের ব্যাপারে কিছু অবজারভেশন আছে। সেগুলো বাস্তবায়নে কিভাবে স্টেকহোল্ডাররা পদক্ষেপ নেবে সে ব্যাপারে অবহিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরকে আরো আধুনিক করার ব্যাপারে সবাই মত দিয়েছেন। স্টেকহোল্ডাররা মোটামুটি সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছে। তাদের সুপারিশ বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কর্ণফুলীর ড্রেজিং বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ড্রেজিংয়ের বিষয়ে অতীতে কোনো সরকারের দৃষ্টি ছিল না। ২০০৯ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রী এ সেক্টরে গুরুত্ব দিয়েছেন। শুধু কর্ণফুলী নয়, সারা দেশের নদী নিয়ে ১৬ কোটি মানুষ ভাবছে। এটা বড় প্রাপ্তি। কর্ণফুলী চ্যানেল আমাদের লাইফ লাইন। এ চ্যানেলের দুর্বলতার জায়গা কাটিয়ে ওঠার জন্য ইকুইপমেন্ট সংগ্রহের পদক্ষেপ নিচ্ছি। চ্যানেলটি ব্যবহার উপযোগী রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করব।’

বন্দরে কনটেইনার ও বহির্নোঙরে জাহাজজট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নানা কারণে জট হচ্ছে। বহির্নোঙরে এখনো নাভিশ্বাস ওঠেনি। নিয়ন্ত্রণের ভেতরে রয়েছে। আকাশ পরিবহন, সমুদ্র বা নৌপরিবহনকে প্রকৃতির ওপর অনেক সময় নির্ভরশীল হতে হয়। এ বাস্তবতাগুলোও মনে রাখতে হবে। 

বন্দরের অলস অর্থ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অলস অর্থকে সচল করার জন্য সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে খাপ খাইয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো প্রয়োজন। 

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, হুইপ ও পটিয়ার এমপি সামশুল হক চৌধুরী, সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, বাঁশখালীর এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, চন্দনাইশের এমপি নজরুল ইসলাম, সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল জুলফিকার আজিজ প্রমুখ। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা