kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পরিবহন মালিকদের সংবাদ সম্মেলন

৭২ ঘণ্টার মধ্যে ৯ দফা দাবি না মানলে ধর্মঘট

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০১:৪৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



৭২ ঘণ্টার মধ্যে ৯ দফা দাবি না মানলে ধর্মঘট

গণ ও পণ্যবাহী গাড়ির কাগজপত্র হালনাগাদ করার ক্ষেত্রে জরিমানা মওকুফ করতে হবে। জরিমানা মওকুফের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের নামে হয়রানি করা যাবে না। প্রধান এ দাবিসহ ৯ দফা দাবি পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে ৭২ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় গণ ও পণ্য পরিবহন মালিক ঐক্য পরিষদ। দাবি না মানলে আগামী রবিবার ভোর ৬টা থেকে বিভাগের ১১ জেলায় অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। 

গতকাল বুধবার দুপুরে নগরের স্টেশন সড়কের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। 

চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় গণ ও পণ্য পরিবহন মালিক ঐক্য পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম রসূল বাবুল। এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সংগঠনের আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু।  

এক প্রশ্নের জবাবে মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু বলেন, নানামুখী হয়রানিতে পরিবহন মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত। কোনো আইনের তোয়াক্কা নেই। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কাছে কাগজপত্র হালনাগাদ করতে গেলে হয়রানি, সড়কে বিআরটিএর ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের হয়রানি, এতে তারা অতিষ্ঠ। এখন কোনো উপায় না পেয়ে তাদের রাস্তায় নামতে হচ্ছে। 

পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম রসূল বাবুল বলেন, পরিবহনের কোনো সমস্যা থাকলে সাধারণত মোটরযান অধ্যাদেশ অনুযায়ী মামলা-জরিমানা করা হয়। কিন্তু তা না করে এখন ভোক্তা অধিকার আইনে বিআরটিএর ম্যাজিস্ট্রেট বিভিন্নভাবে মামলা-হয়রানি করছেন। এতে অনেক পরিবহনের মালিক আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। 

মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু জানান, তিন দিন আগে তাঁদের দাবিগুলো জানিয়ে একটি চিঠি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রসচিব, সড়কমন্ত্রী ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শকসহ (ডিআইজি) প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু তাঁরা এখনো কোনো সাড়া পাননি।

পরিবহন মালিক ঐক্য পরিষদের অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ভোক্তা অধিকার আইন প্রয়োগ করে গণ ও পণ্য পরিবহনে কোনো জরিমানা আদায় করা যাবে না, হাইওয়ে ও থানা-পুলিশ কর্তৃক গাড়ি জব্দ ও রিকুইজিশন বন্ধ করতে হবে, চট্টগ্রাম নগর এলাকায় গাড়ির ইকোনমিক লাইফের অজুহাত দেখিয়ে ফিটনেস ও পারমিট নবায়ন বন্ধ রাখা যাবে না, ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক যান্ত্রিক ক্রটিযুক্ত গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো অজুহাত দেখিয়ে গাড়ি ডাম্পিং করা যাবে না, সহজ শর্তে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে, কাগজপত্র হালনাগাদের ক্ষেত্রে ভোগান্তি বন্ধ করতে হবে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্থাপিত ওয়ে স্কেল দুটি পরিচালনার দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দিতে হবে এবং সারা দেশে একই নিয়মে ওয়ে স্কেল স্থাপন করতে হবে, পণ্যের উত্সস্থলে ওজন স্লিপ দিতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা