kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রোহিঙ্গা সমাবেশে অর্থ সরবরাহকারী দুই এনজিও’র কার্যক্রম নিষিদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রোহিঙ্গা সমাবেশে অর্থ সরবরাহকারী দুই এনজিও’র কার্যক্রম নিষিদ্ধ

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত আরো ২টি বিদেশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) যাবতীয় কার্যক্রম সরকার বন্ধ করে দিয়েছে। এনজিও ২টি হচ্ছে আদ্রা ও আল মারকাজুল ইসলামী। গত ২৫ আগষ্ট কুতুপালং ক্যাম্পে লাখো রোহিঙ্গার সমাবেশে বিদেশি এই এনজিও দুটির বিরুদ্ধে গেঞ্জি সরবরাহ সহ আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এনজিও ব্যুরো এ ব্যবস্থা নিয়েছে।

কক্সবাজারে এনজিও কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব প্রাপ্ত সরকারের উপ সচিব ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার কালের কণ্ঠকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন- ‘এনজিও ব্যুরোর এ নির্দেশনাটি গতকাল বুধবার হাতে পেয়ে ইতিমধ্যে এনজিও ২টির কর্মকর্তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে রোহিঙ্গা শিবিরসহ কক্সবাজার জেলায় তাদের কর্মকাণ্ড গুটিয়ে নিতেও বলা হয়েছে।’

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জানান, গত ২৫ আগস্ট ভয়েস অব রোহিঙ্গা, রোহিঙ্গা রিফিউজি কমিশন (আরআরসি) এবং রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহর সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস এন্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) নামের ৩টি সংগঠন মিলে লাখো রোহিঙ্গার এ সমাবেশটির আয়োজন করেছিল। সমাবেশ আয়োজনে নানাভাবে সহযোগিতা দেওয়ার প্রাথমিক তদন্তে বিদেশি এনজিও আদ্রা এবং আল মারকাজুল ইসলামীর প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও নিশ্চিত করেন এ কর্মকর্তা।

জানা গেছে, এনজিও ২টি পাকিস্তানভিত্তিক এনজিও আল খিদমাত ফাউন্ডেশন এবং তুরস্কভিত্তিক এনজিও’র অর্থ সাহায্য নিয়ে রোহিঙ্গা শিবিরে কাজ করে আসছে।

এনজিও ব্যুরো ইতিমধ্যে আল মারকাজুল ইসলামীর বাংলাদেশের প্রধান অফিস রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুরের ২১/১৭ বাবর রোড এবং ঢাকার মিরপুরের ১৪৯ শাহ আলীবাগ ঠিকানার আদ্রার অফিসেও পাঠানো হয়েছে।

ব্যুরোর ওই চিঠির নির্দেশনায় এনজিও ২টির ব্যাংকিং লেনদেনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে যেসব প্রকল্পে কাজ করা হয়েছে সেইসবের পুংখানুপুংখ হিসাব-নিকাশও দাখিল করতে হবে।

প্রসঙ্গত, এর আগে রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে দা, খন্তি, কোদাল, কুড়ালসহ অন্যান্য অস্ত্রের আদলে কয়েক লাখ দেশি অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগে স্থানীয় এনজিও ‘মুক্তি’র ৬টি প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা