kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নবীগঞ্জের পাকা সড়কগুলো যেন মরণফাঁদ!

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৯:২৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নবীগঞ্জের পাকা সড়কগুলো যেন মরণফাঁদ!

রাস্তা অতিক্রম করা মানে যুদ্ধ জয়ের অবস্থা। সারাদিন গাড়ি চালিয়ে শরীরে ব্যাথা নিয়ে বিছানায় যেতে হয়। আর কোনো কাজ ফেলে এই কষ্টের কাজ করতাম না। এই প্রতিক্রিয়া হলো হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন রাস্তায় চলাচলরত গাড়ি চালকদের। রাস্তার করুণ দশায় তাদের এই ভোগান্তি। আর যাত্রীদেরও যেন ভোগান্তির শেষ নেই।

অনুসন্ধানে জানা যায়, নবীগঞ্জ শহরসহ উপজেলার অধিকাংশ পাকা সড়কগুলোর চিত্র অত্যন্ত করুণ। অধিকাংশ রাস্তা যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এসব সড়কের কার্পেটিং উঠে গেছে। আর কিছু দূর পর পর বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় বর্ষার পানি জমে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ফলে এসব সড়কের মধ্যে প্রতিদিনই নানা রকম দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব সড়ক মেরামতে কর্তৃপক্ষের কোনো দৃষ্টি নেই বলে জানান এলাকাবাসী।

নবীগঞ্জ শহরের পৌর এলাকার অধিকাংশ সড়কের এমন বেহালদশা। শহরের শুভেচ্ছা কমিউনিটি সেন্টারের সামনে থেকে ওসমানি সড়ক-বানিয়াচং-নবীগঞ্জ সড়ক, সালামতপুর টু শেরপুর সড়কের অংশ, শিবপাশা সড়ক, আনমনু-নোয়াপাড়া সড়ক, গয়াহরি সড়ক, দত্তগ্রাম সড়ক মেরামত করা প্রয়োজন।

রিকশা চালক আব্দুল কাদির বলেন, এসব সড়ক দিয়ে রিকশা চালাতে ইচ্ছা হয় না। কিছু দূর পর পর শুধু ভাঙ্গা। তাই তারাতারি মেরামত করা দরকার।

নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি বাজার-আমুকোনা, বেতাপুর-ভায়া সিট ফরিদপুর সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়াতে ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। সড়কটি দেখলে মনে হবে না এটা পাকা সড়ক ছিল। সড়কের মধ্যে বর্ষা মৌসুমে ভারি যানবাহন চলাচলের ফলে কিছু অংশ জনসাধারণের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। ব্যক্তি উদ্যোগে রাস্তা মেরামত করে জনসাধারণ চলাচল করছেন। জনগুরুত্বপূর্ণ ঐ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ২০/২৫টি গ্রামে কয়েক হাজার ছাত্র-জনতা চলাচল করেন।

একই অবস্থা আউশকান্দি বাজার টু উত্তর দৌলতপুর সড়কের। ঐ সড়কের যাত্রী ছাত্রনেতা শিহাব আহমদ জানান, আমাদের সড়কটি বিভিন্ন জায়গায় ভেঙে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই পানি জমে পুকুরের মতো লাগে। এ সড়কটি অচিরেই মেরামত করা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশংকা রয়েছে।

ইনাতগঞ্জ-বান্দের বাজার-সৈয়দপুর সড়কের চিত্র একই রকম। বান্দের বাজারের ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শাহেনশাহ লিমন বলেন, আমাদের বান্দের বাজারের সড়কটি দেখলে মনে হয় এখানে কোনো পাকা সড়ক ছিল না। সব সময় পানি আর কাদা জমে থাকে। তাই জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

নবীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আনোয়ারুল হক বলেন, আমরা সড়কগুলো সংস্কারের প্রস্তাব উপরে পাঠিয়েছি। উপরের নির্দেশ আসলে সড়কগুলো সংস্কার করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা