kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ধামরাইয়ে মুদি দোকানিকে অপহরণ

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি    

৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৯:১১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধামরাইয়ে মুদি দোকানিকে অপহরণ

ঢাকার অদূরে ধামরাইয়ে এক মুদি দোকানিকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

গতকাল সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সানোড়া ইউনিয়নের বাসনা এলাকায় পায়ে হেঁটে বাড়ি যাওয়ার সময় ছোট ভাই এরশাদ আলীকে (৩৭) অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁর বড় ভাই শাজাহান মিয়া। এ ঘটনায় ধামরাই থানায় তিন-চারজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

এরশাদ আলী ধামরাইয়ের চানখালি গ্রামের হাজী  ছেলে। তিনি বাসনা বাসস্ট্যান্ডের একজন মুদি ব্যবসায়ী।

অপহৃতের স্বজনদের কাছ থেকে জানা গেছে, সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে বাসনা বাসস্ট্যান্ডে মুদি দোকান বন্ধ করে এরশাদ আলী,  বড় ভাই শাজাহান মিয়া এবং প্রতিবেশী খোকন মিয়া পায়ে হেঁটে নিজ বাড়ি চানখালির দিকে রওনা হন। দোকান থেকে ২০০ গজ উত্তর দিকে যাওয়ার পরই একটি প্রাইভেট কার থেকে তিন-চারজন লোক দ্রুত নেমে বড় ভাই শাজাহান মিয়াকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে ছোট ভাই এরশাদকে প্রাইভেট কারে তুলে নেয়। এরপর কালামপুর-সাটুরিয়া সড়ক হয়ে পূর্বদিকে (ঢাকার) চলে যায় গাড়িটি।

এ সময় বড় ভাইয়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে বাসনা বাসস্ট্যান্ডে একটি টোল দিয়ে ব্যারিকেড দেয়। দুর্বৃত্তরা তা  ভেঙে দ্রুত চলে যায়। এর আগে বাসনা বাসস্ট্যান্ডে আরেকটি নোয়া গাড়িতে তিন-চারজন ব্যক্তিকে অপেক্ষা করতে দেখেছে স্থানীয়রা। অপহরণে ব্যবহৃত প্রাইভেট কারের পেছনেই চলমান ছিল নোয়া গাড়িটি। 

অপহরণের পর এরশাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সাভারের ডিবি ও র‌্যাব কার্যালয়ে খোঁজ নিয়েও সন্ধান মেলেনি  অপহৃতের।

অপহৃতের ভাই শাহজাহান মিয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, 'কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে এরশাদকে প্রাইভেট কারে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। সামনে এগিয়ে গেলে তারা আমাকে গুলি করে মেরে ফেলার বলে হুমকিও দেয়।'

এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত এরশাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, 'ব্যবসায়ী এরশাদ আলীকে তুলে নেওয়ার বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তাঁকে উদ্ধারে তৎপরতা চলছে।'   

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা