kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মোবাইলে এসএমএস দিয়ে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২৩:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মোবাইলে এসএমএস দিয়ে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

মৃত্যুর আগে চাচাতো ভাইকে এসএমএস করে জানায় সে আত্মহত্যা করবে। পরিবারের লোকজন যেন তার লাশ নিয়ে যান। এর পরেই সে গাছের সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে আব্দুর রহিম (১৮) নামে এক স্কুলছাত্র। রাজনগর উপজেলার ইটা চা-বাগান থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া নিহতের মোবাইল ফোনে এক মেয়ের কিছু এসএমএস রয়েছে বলে জানা গেছে।

নিহত আব্দুর রহিম জেলার রাজনগর উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের ইটা চা-বাগানের বাসিন্দা আব্দুল আজিজের ছেলে ও স্থানীয় করিমপুর খলাগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র। 

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের ইটা চা-বাগানের বাসিন্দা আব্দুল আজিজের ছেলে আব্দুর রহিম গতকাল রবিবার দুপুর দেড়টার দিকে তার চাচাতো ভাই মহিউদ্দিনের মোবাইল ফোনে এসএমএস করে বাগানের ৫নং সেকশনে একা যেতে বলে। এ সময় ব্যস্ততা দেখিয়ে মহিউদ্দিন সেখানে যেতে পারবেন না বলে ফিরতি এসএমএস পাঠান। এসএমএস আদান-প্রদানের একপর্যায়ে সে আত্মহত্যা করবে বলে তার চাচাতো ভাইকে জানায় এবং বাবা-মা যেন তার লাশ নিতে যান এমন এসএমএসও পাঠায়।

এদিকে রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে বাগানের আশেপাশে ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খুঁজতে থাকেন। রাত ১২টার দিকে তার বাড়ি থেকে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে জনৈক মহব্বত আলীর আকাশি গাছের বাগানে একটি গাছের সঙ্গে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে রাজনগর থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ‌আজ সোমবার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় রাজনগর থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

রাজনগর থানার এসআই অজিত কুমার তালুকদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে রহিমের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার মোবাইল ফোন উদ্ধার করে চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে ছাড়াও এক মেয়ের সঙ্গে আদান-প্রদান করা অনেকগুলো এসএমএস পাওয়া গেছে। সুরতহাল অনুযায়ী সে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা জানা যাবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা