kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বিয়ের প্রলোভন দিয়ে গার্মেন্টকর্মীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৯:০৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিয়ের প্রলোভন দিয়ে গার্মেন্টকর্মীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

নরসিংদীর রায়পুরায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স্বামী পরিত্যক্তা এক সন্তানের জননী এক নারী গার্মেন্টকর্মীকে গণধর্ষণ করেছে তিন যুবক। গতকাল রবিবার রাত সাড়ে ১০ টায় উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের গৌরীপুরা এলাকায় তালুককান্দি সূর্যের মোড়ে অবস্থিত মানিক মিয়ার গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ওই ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।

অভিযুক্ত ধর্ষকরা হলো রায়পুরা উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের বেগমাবাদ হুগলাকান্দি এলাকার ফিরোজ মিয়ার ছেলে শিপন মিয়া, বেগমাবাদ পল্টন এলাকার মো. দুলাল মিয়ার ছেলে মো. রুবেল ও ঘাগটিয়া গ্রামের হোসেন উদ্দিন হুসুর ছেলে মো. শামীম।

ধর্ষিতা ওই নারী গাজীপুরের বোর্ড বাজার এলাকায় একটি গার্মেন্টে কাজ করেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আজ সোমবার ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযুক্ত তিন ধর্ষককে আসামি করে রায়পুরা থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে রায়পুরা থানা পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষক শিপন ও শামীককে গ্রেপ্তার করে। অপর আসামি রুবেল ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ ও মামলার এজাহারমানা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষক শিপনের সঙ্গে ধর্ষিতা ওই নারীর দেড় বছর পূর্বে মোবাইলে পরিচয় হয়। তারপর দুজনের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে শিপন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। তাতে রাজি হওয়ায় তাকে রবিবার সন্ধ্যা ৬ টায় ঢাকা হযরত শাহাজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর এলাকায় আসতে বলে। শিপনের কথা মতো তারা দুজন নরসিংদীর রায়পুরার উদ্দেশ্যে রাজধানীর উত্তরা থেকে বাসে করে রাত ১০টায় উপজেলার নীলকুঠি বাসস্ট্যান্ডে এসে নামে। তারপর সেখান থেকে একটি সিএনজিতে করে ওই নারীকে মুছাপুর ইউনিয়নের গৌরীপুরা এলাকায় তালুককান্দি সূর্যের মোড়ে মানিক মিয়া গ্যারেজে নিয়ে আসেন। তারপর শিপন ওই নারীকে ধর্ষণ করে। পরে একে একে তার দুই সহযোগী রুবেল ও শামীম পালাক্রমে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তাকে ধর্ষক করে। ওই তিন ধর্ষক ঘুমিয়ে পড়লে গভীর রাতে গ্যারেজ থেকে পালিয়ে এক পাহারাদারকে ঘটনা জানালে তিনি পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রায়পুরা থানার পুলিশ পরির্দশক (নি.) মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ভিকটিমের অভিযোগের ভিত্তিতে তিন আসামির মধ্যে দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা