kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পতাকা উৎসবে দেড় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৮:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পতাকা উৎসবে দেড় হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

নতুন এক উৎসবের সাথে সোমবার পরিচিত হলেন হবিগঞ্জবাসী। 'পতাকা উৎসব' নাম দিয়ে জেলা প্রশাসন একদিনে ১ হাজার ৫শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে বিতরণ করেছে জাতীয় পতাকা। আগামীতে সঠিক রঙ ও মাপের এসব পতাকা প্রদর্শন হবে প্রতিষ্ঠানগুলোতে।

সোমবার সকালে হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে আয়োজন করা হয় এ ব্যতিক্রমী উৎসবের। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পতাকা বিতরণ করেন। জেলা সদরের সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অন্য ৮টি উপজেলা ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয় অনুষ্ঠানে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন শাহ জালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক শাকিল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মিজানুর রহমান মিজান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তারেক মোহাম্মদ জাকারিয়া, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা ইউনিট কমান্ডার এডভোকেট মোহাম্মদ আলী পাঠান, অধ্যাপক জাহানারা খাতুন, প্রেসক্লাব সভাপতি হারুনুর রশীদ চৌধুরী,কবি তাহমিনা বেগম গিনি,জেলা শিক্ষা অফিসার রুহুল্লা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক।

জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ বলেন, 'এখনও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দায়সারাভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এর সঠিক মাপ ও যথাযথ সম্মানের ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধারণা নেই। অথচ আমাদের একটি পতাকা বিধি আছে। তা অনেক সময়ই মানা হয় না। সঠিকভাবে পতাকা ব্যবহার করা হয় না। সঠিক মর্যাদা দেয়া হয় না। আমরা জাতীয় পতাকার গুরুত্ব ও সম্মানবোধের বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মনে স্থান করে দিতে চাই। এ উৎসবের মাধ্যমে জেলার সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এক জায়গায় নিয়ে আসতে চাই।'

সূত্র জানায়, জাতীয় পতাকার সঠিক মাপ নিয়ন্ত্রণ ও শিক্ষার্থীদের মনে পতাকার সম্মানবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে হবিগঞ্জে এই পতাকা উৎসব আয়োজন করা হয়। জেলার ৯টি উপজেলার ১ হাজার ৫শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে উৎসবের আয়োজন করা হয়। এর আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা ও কলেজগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা