kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের ছাড় দেয়া হবে না : পানিসম্পদ উপমন্ত্রী

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৫:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের ছাড় দেয়া হবে না : পানিসম্পদ উপমন্ত্রী

পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলনকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেয়া হবেনা। তাদের কোন দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হবে না।

আজ সোমবার সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বংশাই নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে একথা বলেন।

উপমন্ত্রী বলেন, সরকার নদী ভাঙন এলাকার দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে। ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিপিটি, ডাম্পিং এবং নদী ড্রেজিং।

এ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি স্থানীয় এমপি মো. একাব্বর হোসেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী উকিল বিশ্বাস, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মালেক, সহকারী পুলিশ সুপার মির্জাপুর সার্কেল দিপঙ্কর ঘোষ উপস্থিত ছিলেন।

সকাল নয়টায় উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম মির্জাপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে পৌছালে সেখানে তাকে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. একাব্বর হোসেন, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় স্বাগত জানান।

পরে উপমন্ত্রী উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তির মঞ্চে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। সকাল দশটার দিকে তিনি ইঞ্জিনচালিত নৌকা যোগে লতিফপুর ইউনিয়নের যোগীরকোফা, ফতেপুর ই্উনিয়নের থলপাড়া, ফতেপুর, সুতানরি, বানকাটা পারদিঘী এলাকার বংশাই নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। বেলা সাড়ে বারটার দিকে বাজার এলাকায় উপমন্ত্রী স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।

উপমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার মির্জাপুরের নদী ভাঙন কবলিত এলাকার জন্য ১১৫ কোটি টাকার ডিপিটি প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। এছাড়া ৪শ কোটি টাকা ব্যয়ে বংশাই নদীতে ড্রেজিং করা হবে। যে এলাকার অবস্থা বেশি ভাঙন কবলিত সেখানে দ্রুত ডাম্পিং শুরু করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে তিনি বলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা