kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

১৩ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি

অর্থপাচার আইনে চট্টগ্রাম কাস্টমসের প্রথম মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০১:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অর্থপাচার আইনে চট্টগ্রাম কাস্টমসের প্রথম মামলা

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে প্রথম মামলা করল চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। গত শুক্রবার কাস্টম হাউস বাদী হয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থানায় দুটি মামলা দায়ের করে। গতকাল রবিবার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানানো হয়। গত সেপ্টেম্বরে চট্টগ্রাম কাস্টমে ‘অ্যান্টি মানি লন্ডারিং ইউনিট’ গঠনের পর এ ধরনের মামলা এই প্রথম। 

২০১৮ সালে কাস্টমস কর্তৃক আটককৃত সিগারেট চোরাচালানের দুটি ঘটনা তদন্ত করবে কাস্টমসের নতুন এই ইউনিট। মামলায় দুটি চালানে ১৩ কোটি টাকার সিগারেট চোরাচালানের অভিযোগ করা হয়েছে। একটি মামলায় আসামি করা হয়েছে চোরাচালানে জড়িত এন ইসলামের মালিক মোহাম্মদ আবদুল বারিক ও কবির হোসেনকে। এ ছাড়া আরেক মামলার আসামি গ্রাম বাংলা ফুড করপোরেশনের দেওয়ান বুলবুল ইসলাম ও নূর আল মামুন রুবেল এবং এ জান চৌধুরী অ্যান্ড সন্সের মালিক আওলাদ জান চৌধুরী।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অ্যান্টি মানি লন্ডারিং ইউনিটের সাবেক প্রধান ও কাস্টমসের উপকমিশনার নূর উদ্দিন মিলন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আগে আমরা মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য ধরা পড়লে শুধু জরিমানা এবং বিভাগীয় মামলা করতে পারতাম। এখন থেকে অর্থপাচার আইনে ফৌজদারি মামলা করা যাবে। গতকাল থেকে সেটি শুরু হয়েছে।’ তিনি বলেছেন, অর্থপাচার ঠেকিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করা এবং সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে এই ইউনিট বিশেষ ভূমিকা রাখবে। 

জানা গেছে, ২০১৮ সালের মে মাসে দুই আমদানিকারক ঢাকার ১৬১ মতিঝিল রহমান ম্যানসনের ঠিকানার এন ইসলাম এন্টারপ্রাইজ ও ৯৯ যাত্রাবাড়ী ঠিকানার আনোয়ার অ্যান্ড কম্পানি যন্ত্রপাতি আমদানির ঘোষণা দিয়ে ১০ কোটি টাকার আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশি সিগারেট নিয়ে আসে। 

কাস্টমস গোয়েন্দা দলের হাতে সেটি ধরা পড়ে। এর আগে ওই বছরের ২৮ এপ্রিল ফোম আমদানির ঘোষণা দিয়ে ছয় কোটি টাকার সিগারেট নিয়ে আসে ঢাকার আমদানিকারক পুরানা পল্টন ঠিকানার গ্রাম বাংলা ফুড করপোরেশন। চালান দুটির বিদেশি সরবরাহকারী একই হলেও দেশের আমদানিকারক ভিন্ন। তবে দেশীয় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর যে ঠিকানা ব্যাংকে ঋণপত্র খুলতে ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেওয়া হচ্ছে এসব পণ্যের আড়ালে অর্থপাচার করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা