kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

এতিমের অর্থ কর্মকর্তাদের পেটে!

মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২১:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এতিমের অর্থ কর্মকর্তাদের পেটে!

বাগেরহাটের ফকিরহাটের কারামতিয়া এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে এতিমদের ভরণপোষণে বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। কাগজ কলমে ভূয়া ছাত্রদের তালিকা তৈরি করে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকতার সহায়তায় গত এক বছরে ১ লাখ ১৯ হাজার ২৫০ টাকা উত্তোলন হয়েছে।

এ কাজের নেপথ্যে ছিলেন ফকিরহাট কারামতিয়া ফাজিল মাদরাসার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা। এ ব্যাপারে গত ৩০ জুলাই ওই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সম্পাদক আবদুল মান্নানকে আসামি করে রাসেল মোল্লা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সাব্বির মোল্লা, সাইদ শেখ ও আদনান সামী নামে ৩ জন ছাত্র এতিম খানা লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে অধ্যায়নরত। তবে তাদের কোনো আর্থিক সহযোগিতা করা হয় না। বরং প্রতিষ্ঠানের হিসেবের খাতায় ১০ জন ছাত্রের নাম দেখিয়ে ভরণ-পোষণের ভূয়া ভাউচার তৈরি হয়। আত্মসাৎ করা হয় এতিমের মুখের খাবার। গত এক বছরে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক ফকিরহাট শাখা থেকে এতিম ছাত্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ১ লাখ ১৯ হাজার ২৫০ টাকা অধ্যক্ষসহ এতিমখানা পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়েছে। এ ছাড়া এতিমদের জন্য বিভিন্ন দাতা গোষ্ঠী প্রদত্ত সাহায্যের অর্থের কানাকড়িও জোটেনি এতিমদের কপালে। সব গেছে কর্মকর্তাদের পেটে।

এ বিষয়ে ফকিরহাট উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সবুর আলীর বলেন, আমি ৩ মাস ঢাকায় ট্রেনিংয়ে ছিলাম। যদি কারামতিয়া এতিম খানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং এর কর্মকর্তাগণ ভূয়া ভাউচার ব্যবহার করে সরকারি টাকা আত্মসাত করে থাকে তাহলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে কারামতিয়া মাদরাসার এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং পরিচালনা কমিটির সম্পাদক আ. মান্নানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা