kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

এক সপ্তাহের মধ্যে পুনঃস্থাপনের আলটিমেটাম

শহীদ জিয়া অডিটোরিয়ামের নাম অপসারণের প্রতিবাদে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক, মৌলভীবাজার   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৭:৫৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শহীদ জিয়া অডিটোরিয়ামের নাম অপসারণের প্রতিবাদে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের শহীদ জিয়া অডিটোরিয়ামের নামফলক অপসারণের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মৌলভীবাজার জেলা। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শহীদ জিয়া নাম পুনঃস্থাপনের আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। আজ রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় মৌলভীবাজার প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে জেলা বিএনপির এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এই আলটিমেটাম দেন বিএনপির জেলা সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এম নাসের রহমান বলেন, ১৯৯৫ সালে সিলেট বিভাগের উন্নয়নের রূপকার সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে এই অডিটোরিয়ামের কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে এর কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। ২০০১ সালে বিএনপি আবার ক্ষমতায় আসলে এর কাজ সস্পন্ন করে এর নাম রাখা হয় 'শহীদ জিয়া অডিটোরিয়াম'। বাংলাদেশের বহু নামিদামি কলেজের যখন নিজস্ব অডিটোরিয়াম ছিল না তখন মৌলভীবাজার সরকারি কলেজের এই অডিটোরিয়াম করা হয়েছিল। এটা এই কলেজের একটা ঐতিহ্য।

তিনি বলেন, গত সাড়ে ১০ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাবস্থায় এই অডিটোরিয়ামের নাম পরিবর্তন কিংবা অপসারণের কোনো সাহস দেখায়নি। গত ২৯ আগস্ট কোনো কারণ ছাড়া ছাত্রলীগ নেক্কারজনকভাবে শহীদ জিয়ার নাম উঠিয়ে ফেলে অডিটোরিয়ামের নতুন নামকরণ করার চেষ্টা করে। যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

নাসের রহমান ছাত্রলীগকে উদ্দেশ করে বলেন, আজ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলে তারা অন্য দলের শ্রদ্ধেয় নেতার নাম ভেঙে ফেলছেন। কাল তারা ক্ষমতায় না থাকলে তাদের দলের শ্রদ্ধেয় মরহুম নেতার নাম কেউ মুছে ফেললে তখন তারা কী করবে? তারা যে ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা দেশের সুষ্ঠু রাজনীতির একটি কলঙ্কজনক উদাহরণ।

আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অডিটোরিয়ামে শহীদ জিয়ার নামফলক পুনঃস্থাপন করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে কলেজ কর্তৃক মামলা করার দবি জানাচ্ছি। এরই সাথে যদি শহীদ জিয়ার নাম পুনঃস্থাপন করা না হয় তাহলে বিএনপি নিজ উদ্যোগে তা করার ব্যবস্থা নেবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সিনিয়র সহসভাপতি ফয়জুল করিম ময়ুন, সহসভাপতি ওয়ালী সিদ্দিকী, আব্দুল মুকিত, মোয়াজ্জেম হোসেন মাতুক, আসিক মোশাররফ, সংগঠনিক সম্পাদক বকশি মিছবাউর রহমান, আব্দুল মতিন, যুগ্ম সম্পাদক হেলু মিয়া, প্রচার সম্পাদক এম ইদ্রিস আলীসহ যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলন শেষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহরে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল পৃথক শোভঅযাত্রা করে প্রেস ক্লাবে মোড়ে বনফুল কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনাসভায় মিলিত হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা