kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নোবিপ্রবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আবাসিক হল ভাঙচুর

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৫:১৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নোবিপ্রবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আবাসিক হল ভাঙচুর

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত চার ছাত্রলীগকর্মী আহত হন। শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সফিকুল ইসলাম রবিন ও সাধারণ সম্পাদক এস এম ধ্রুব গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

জানা যায়, গতকাল শনিবার রাত ৯টার দিকে প্রকাশ্যে ধূমপান করাকে কেন্দ্র করে সিনিয়র-জুনিয়রদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি বড় আকার ধারণ করে। এতে হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে এ নিয়ে রাত ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ আব্দুস সালাম হলে উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। গভীর রাত পর্যন্ত উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। উভয় পক্ষ একে অপরকে ইটপাটকেল ছোড়ে। এতে অন্তত চারজন আহত হন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রুপ লাঠিসোঁটা নিয়ে হলের বেশ কয়েকটি রুমের দরজা, জানালা, চেয়ার, টেবিল, ফুলের টব এবং বাথরুমের বেসিন ভাঙচুর করে।

খবর পেয়ে সুধারাম মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে প্রক্টরিয়াল টিম, হল প্রভোস্ট, সুধারাম থানার ওসি এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক এক মিটিংয়ে বসে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সফিকুল ইসলাম রবিন কালের কণ্ঠকে বলেন, সিগারেট খাওয়া নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে এভাবে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়াটা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার। ঘটনা শুনে আমি হলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করি। এখন পরিস্থিতি শান্ত।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম ধ্রুব বলেন, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মোটেও কাম্য নয়। সংঘর্ষের ঘটনা শুনে আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি। এখন পরিবেশ শান্ত।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মো. বাহাদুর বলেন, সংঘর্ষের ঘটনার খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ আমি সুধারাম থানা পুলিশকে বিষয়টি জানাই। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন পরিস্থিতি ঠাণ্ডা। এ নিয়ে আমরা আলোচনায় বসে পরে বিস্তারিত জানাব।

এ ঘটনার পর রাতভর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পুলিশ অবস্থান করেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা