kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

'বঙ্গবন্ধু নথি পড়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন না'

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:৩৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'বঙ্গবন্ধু নথি পড়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন না'

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান বলেন, 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নথি পড়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন না। তিনি পুরো বাংলাদেশকে জানতেন। সব বিষয়ে অবগত ছিলেন। তিনি দর্শনার্থীদের সঙ্গে সহজ-সরল ব্যবহার করতেন এবং তাদের বাড়ির পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাবেক একান্ত সচিব মসিউর রহমান বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে বলেন, 'সকল ধরনের রাজনৈতিক মতাদর্শের রাজনীতিবিদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সুসম্পর্ক বজায় রাখতেন। বঙ্গবন্ধু মনে করতেন আলোর পথের রাজনীতি জনমানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি করে। তিনি মওলানা ভাসানীকে অনেক শ্রদ্ধা ও সম্মান করতেন। তিনি মানুষের চরিত্র সহজেই বুঝতে পারতেন এবং সেই অনুযায়ী চাওয়া-পাওয়া পূরণ করতেন।'

তিনি আরো বলেন, 'ভিন্ন মতের ব্যক্তিদের প্রতিও বঙ্গবন্ধু দয়ালু ছিলেন। কারাভোগরত রাজিয়া ফয়েজকে বঙ্গবন্ধু মুক্তি দিয়েছিলেন। কারাভোগরত সবুর খানের কামড়ায় ফ্যানের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এদেশের গণমানুষকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন বঙ্গবন্ধু।

বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য ফারজানা ইসলাম। তিনি বলেন, 'বঙ্গবন্ধু যাদেরকে পদোন্নতি দিয়েছিলেন, তারাই বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করেছে। ইতিহাসে এটি একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়।'

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সহ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নূরুল আলম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মান্নান চৌধুরী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক অধ্যাপক বশির আহমেদ। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা