kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

শ্রাবণের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে রায়পুরায় ছাত্রলীগের মানববন্ধন

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি   

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:২৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শ্রাবণের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে রায়পুরায় ছাত্রলীগের মানববন্ধন

ছবি: কালের কণ্ঠ

নরসিংদীর রায়পুরায় গত বৃহস্পতিবার আদিয়াবাদ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমেদ শ্রাবণের (২৭) ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে রায়পুরা উপজেলা ছাত্রলীগ মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে। 

শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলার রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু অডিটরিয়াম হলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসাদুল হক চৌধুরী শাকিল গত ২৯ আগস্ট প্রকাশ্য দিবালোকে আদিয়াবাদ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমেদ শ্রাবণের ওপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের মাধ্যমে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান প্রশাসনের প্রতি। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ওই সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক হাসিব আহমেদ জাকির, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম তুহিন, উপজেলা জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদের সভাপতি মোল্লা সুমনসহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের নেতারা।

পরে হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে সাংসদ রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু চত্বরের সামনে ছাত্রলীগ ও এলাকার সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় আদিয়াবাদ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমেদ শ্রাবণ তার স্ত্রী ও এক সন্তানকে নরসিংদী রেখে মোটরবাইকে করে রায়পুরা ফেরার পথে নরসিংদী-রায়পুরা আঞ্চলিক সড়কে আমিরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী তার মোটরবাইকের গতিরোধ করে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন।

ওই সময় উপস্থিত জনতা সন্ত্রাসীদের ধাওয়া দিলে তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

শ্রাবণ আদিয়াবাদ ইউনিয়নের শেরপুর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে ও রাধাগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী। 

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মাথায় ও পায়ে দুটি অস্ত্রপাচার শেষে শুক্রবার সকালে তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এখনো তিনি পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নন বলে তার স্বজনদের জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই শ্রাবণের চাচা মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক বাদী হয়ে জহির খন্দকারকে প্রধান আসামি করে মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে রায়পুরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার প্রধান আসামি জহির উপজেলার একই ইউনিনের আদিয়াবাদ পূর্বপাড়ার ফজলু খন্দকারের ছেলে। মামলায় আরো ৫/৭ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তবে মামলার আসামিরা সবাই পলাতক থাকায় এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত কাউকে পুলিশ আটক করতে পারেনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা