kalerkantho

মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মাছের সঙ্গে শত্রুতা

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

২৬ আগস্ট, ২০১৯ ০২:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মাছের সঙ্গে শত্রুতা

ছবি: কালের কণ্ঠ

বরগুনার বেতাগীতে শত্রুতার জের ধরে মৎস্য খামারে বিষ প্রয়োগ করে ৫২ হাজার পরিমাণ চিংড়ি পোনা ও ৫ হাজার পরিমাণ কাতল মাছ নিধন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর ওজন ১ হাজার ২৫০ মণ এবং এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান মৎস্য খামার মালিক।

সরেজমিনে গেলে জানা যায়, ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাসে উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের উত্তর করুণা গ্রামের বাসিন্দা মাও. মো. মাসুম বিল্লাহ ব্যাংক এশিয়া ও অগ্রণী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ১৪০ শতাংশ নিজ মালিকানা সম্পত্তির ওপর ‘আকন মৎস্য খামার’ একটি মৎস্য খামার গড়ে তোলেন।

গত ২৩ আগস্ট রাতে ওই খামারে শত্রুতার জের ধরে বিষ প্রয়োগ করা হয়। পরের দিন ২৪ আগস্ট খামারে মাছগুলো পানিতে ভেসে ওঠে। খবর পেয়ে বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামরুজ্জামান মিঞা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান ফোরকান, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান মো. খলিলুর রহমান ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তফা আল-রাজীব ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। 

মৎস্য খামার মালিক মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘শুরু থেকে সবকিছু ভালো চলে আসলেও কিছু দিন পূর্ব থেকে বিভিন্ন কারণে এলাকায় বিত্তবানদের সঙ্গে শত্রুতা হয়েছে। এলাকার কিছু বখাটে যুবক মৎস্য ঘেরের মধ্যে বসে মাদক সেবন করত। এতে আমি বাধা দিলে দেই। এলাকায় মাদক সেবন বিষয়ে এসপির নিকট লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। এই শত্রুতার জের ধরে মৎস্য ঘেরে মাছ নিধন করা হয়েছে।’ 

উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মাকসুদুর রহমান ফোরকান বলেন, ‘যারা এ ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোস্তফ আল রাজীব বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবে এক সঙ্গে এতগুলো মাছ মারা যাওয়া অসম্ভব। ঘেরে বর্তমানে যে পরিমাণ মাছ এখন আছে সেগুলো রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় বিষনাশক ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে।’

বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কমরুজ্জামান মিয়া এ ব্যাপারে বলেন, ‘অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা