kalerkantho

ভাগ্নিকে নিয়ে খালু উধাও, তিন মাস পর উদ্ধার

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৫ আগস্ট, ২০১৯ ২০:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভাগ্নিকে নিয়ে খালু উধাও, তিন মাস পর উদ্ধার

কিশোররগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার বীর পাকুন্দিয়া থেকে বউকে ফেলে স্কুল পড়ুয়া ভাগ্নিকে নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিলেন আপন খালু আব্দুল হক। ঘটনার ৩ মাস পর গতকাল শনিবার রাতে ভৈরবের পঞ্চবটি এলাকার জনৈক ধন মিয়ার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ভৈরব থানা পুলিশ। আটককৃত আ. হক পাকুন্দিয়ার জামসাইদ-তাতারকান্দা এলাকার রোস্তম আলীর ছেলে।

গা ঢাকা দেওয়ার পর অভিযুক্তের স্ত্রী সুরমা বেগম কিশোরগঞ্জ বিচারিক আদালতে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ এনে স্বামীর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে বিজ্ঞ আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। তারই প্রেক্ষিতে তাকে দেখানো হয়।

জানা যায়, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জামসাইদ এলাকার সবজি বিক্রেতা আব্দুল হক গত জুনে নিজের বউকে ফেলে তার বড় বোনের অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে নিয়ে উধাও হন। এরপর থেকে তারা কখনো ভৈরব, কখনো রায়পুরা এলাকায় আত্মগোপনে থেকে বিয়ে না করেই স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করতে থাকে। মেয়ের মা ও খালা ভৈরবে এসে পঞ্চবটি এলাকায় মেয়ের ছবি দেখিয়ে তার সন্ধান চাইলে ওই এলাকার ধন মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

আব্দুল হকের স্ত্রী জানান, গত তিন মাস যাবত তিনি আমাদের কোনো খোঁজ-খবর না নিয়ে আমার বোনের মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে আসে। আমি আমার স্বামীর এমন জঘন্য কর্মকাণ্ডে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

ওই মেয়ের মা বলেন, তিনি আমার মেয়েকে ফুঁসলিয়ে এনেছেন। আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে খবর পেয়ে ভৈরবে ছুটে আসি। এসে দেখি এখানে এলাকাবাসীর হাতে তারা অসামাজিক কাজের জন্য আটক রয়েছে। আমি তার শাস্তি কামনা করছি।

ভৈরব থানার এএসআই আসাদ মিয়া জানান, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে এসে এলাকাবাসীর জিম্মায় থাকা অবস্থায় আব্দুল হক ও মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা