kalerkantho

হবিগঞ্জে এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অবদানের জন্য কোনো পুরস্কার বা স্মারক গ্রহণ করিনি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৪ আগস্ট, ২০১৯ ১৫:৫৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে অবদানের জন্য কোনো পুরস্কার বা স্মারক গ্রহণ করিনি

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদানের জন্য কোনো পুরস্কার বা স্মারক গ্রহণ করিনি। একটি সংগঠন তাদের প্রথাগতভাবে আমাকে সম্মাননা জানিয়েছে। একটি বিতর্ক অনুষ্ঠানে অন্য সবার সাথে আমাকেও একটি স্মারক তুলে দেয় আয়োজকরা। কিন্তু এটি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। কোনো বিষয়কে আংশিক বা ভুলভাবে পরিবেশন করা দুঃখজনক।

আজ শনিবার দুপুরে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

সমবায়মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। সকল প্রতিষ্ঠান আন্তরিকভাবে কাজ করছে। আশা করি ডেঙ্গু মোকাবেলায় আমরা সফল হবো।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে প্রত্যাবর্তন করাটাই সমাধানের উত্তম পন্থা। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রী পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে। যাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সংস্থাও এ ব্যাপারে কাজ করছে। এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

পরে তিনি হবিগঞ্জ পৌরসভা আয়োজিত শোকসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। মেয়র মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে শোকসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল মজিদ খান, সংসদ সদস্য গাজী শাহনওয়াজ মিলাদ, জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী খলিলুর রহমান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শেখ মো. মুয়াইমিন, তত্ববধায়ক প্রকৌশলী বিপুল চন্দ্র বণিক, এলজিইিডির নির্বাহী প্রকৌশলী আবু জাকির সেকান্দার ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী প্রমূখ।

শোক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষকে ভালোবাসতেন। তিনি স্বপ্ন দেখতেন এদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবেন। এ লক্ষে শিক্ষা ও কৃষিকে অগ্রাধিকার দিয়ে যখন তিনি কাজ শুরু করেছিলেন তখন ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে এদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেয়।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি নেতা সাবেক অর্থমন্ত্রী মরহুম সাইফুর রহমান বলেছিলেন দেশে খাদ্য ঘাটতি থাকলে ভালো। বিদেশ থেকে সাহায্য আসে। তারা চেয়েছিল এই দেশ যেন ভিক্ষুকের জাতি হয়। কিন্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দেশকে বিক্ষুকের জাতির কলঙ্ক মুছে এখন এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এখন আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, বিদ্যুতের অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। শিক্ষার হার এবং গুণগত মান বৃদ্ধি পেয়েছে। বাড়ছে রপ্তানী আয়।

তিনি হবিগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আশ্বাস দিয়ে বলেন, সবার আগে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করতে হবে। শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ সকল কাজেই সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি পৌরসভার আয় বাড়িয়ে ছোট কাজ গুলো নিজেরাই করতে এবং বড় কাজগুলো সরকার করে দিবে বলে ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের মাঝে সরকার সবার জন্য সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে চায়। হবিগঞ্জের পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নেও সহযোগিতা করা হবে।

এর আগে তিনি ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে হবিগঞ্জ পৌরসভার কিচেন মার্কেটের উদ্বোধন করেন। পরে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কতৃক বাস্তবায়নাধীন চলমান কার্যক্রমের উপর মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা