kalerkantho

শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের উদ্যোগে শোক দিবস পালন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ আগস্ট, ২০১৯ ১০:৩৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের উদ্যোগে শোক দিবস পালন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের প্রত্যক্ষ মদদেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। 
বৃহস্পতিবার শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ আয়োজিত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীর ৪৪তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সংগঠনের সভাপতি রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ প্রধান উপদেষ্টা তরফদার মো: রুহুল আমিন, আনোয়ার খান মডার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অধ্যাপক আবুল হাশেম,  শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ সাংগঠনিক সচিব কেএম শহীদ উল্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিক ইবনে রউফ, প্রচার সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক আসাদুল হক প্রমুখ।
এইচটি ইমাম বলেন, খুনীরা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ক্ষান্ত হয়নি তারা জাতীয় চার নেতাকেও হত্যা করেছে। ১৫ আগস্টে ধারাবাহিকতায় খুনীরা ২১ আগস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। সৃষ্টিকর্তার করুনায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। কিন্তু আওয়ামী লীগের ২৪ জন নেতাকর্মী সেদিন শাহাদাত বরণ করেছিলেন।
তিনি বলেন, জিয়ারউর রহমান কখনো মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি। জিয়াউর রহমান যেই ক্যাম্পে দায়িত্ব পলন করেছিল সেই ক্যাম্পে একবার পাকিস্তানিরা হামলা করেছিল। এতে অনেক মুক্তিযোদ্ধা নিহত হয়েছিলেন। অথচ অন্য কোনো ক্যাম্পে হামলা হয়নি। জিয়াউর রহমানের পরামর্শে সেই ক্যাম্পে পাকিস্তানিরা হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল।  মুক্তিযোদ্ধে অসহযোগিতার জন্য ওই সময় জিয়াউর রহমানকে বহিস্কার করারও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের জাতীয় সত্ত্বা তৈরি করেছিল। তার ধারবাহিকতায় ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে।  আর এই স্বাধানীতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
এইচটি ইমাম বলেন, পাকিস্তানিরা ১৯৪৮ সাল থেকে বঙ্গবন্ধুকে চিহিৃত করে রেখেছিল। তারা ওই সময় বুঝতে পরেছিল যে বঙ্গবন্ধু একদিন বড় নেতা হবে এবং তাদের জন্য হুমকি হবে। তাই তারা বঙ্গবন্ধুকে নানাভাবে পিছিয়ে রাখার জন্য ষড়যন্ত্র করে আসছিল। 
তিনি বলেন, এই প্রজন্ম অনেক সৌভগ্যবান। কারণ তারা বঙ্গবন্ধুর সংবিধান ফিরে পেয়েছ। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে দেশের জন্য কাজ করতে হবে। তিনি তরুণ প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে দেশ গড়ার জন্য আহ্বান জানান।   
আব্দুর রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের হত্যা কা-ের সাথে সরাসরি জড়িত। জিয়াউর রহমান অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। তাদেরকে পদন্নোতি দিয়েছিল। তাই জিয়াউর রহমানের মরোনত্তর বিচার হওয়া দরকার।
তিনি বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট হামলার মূল নায়ক হচ্ছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার মা বেগম খালেদা জিয়ার নিদের্শই তিনি ২১ আগস্টে হামলা চালিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু সৃষ্টিকর্তা তাদের এই পরিকল্পনা সফল হতে দেয়নি।
অধ্যাপক আবুল হাশেম বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে তারা এখনো সক্রিয় আছে। এর ধারাবকিতায় তারা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে রুখে দাঁড়াতে হবে। 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা