kalerkantho

করশালিকা রহমানিয়া আলিম মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে কারচুপি

ওসি খাজা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে আদালতের নির্দেশ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি   

২২ আগস্ট, ২০১৯ ১৯:১৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ওসি খাজা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে আদালতের নির্দেশ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানার সাবেক ওসি খাজা গোলাম কিবরিয়া।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানার সাবেক ওসি খাজা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অপর প্রকার ১৮১/২০১৮ নং মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় গত বুধবার দুপুরে আইজিপি ঢাকা, ডিআউজি রাজশাহী ও পুলিশ সুপার সিরাজগঞ্জকে পৃথক পত্র দিয়ে এ নির্দেশ দেন শাহজাদপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক কিশোর দত্ত। একই সাথে এ মামলার অপর আসামিদের সকল প্রকার কার্যক্রমও স্থগিত করেছেন আদালত।

বাদী পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন জানান, শাহজাদপুর উপজেলার রূপবাটি ইউনিয়নের ‘করশালিকা রহমানিয়া আলিম মাদরাসা’র ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন গত ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিনই এ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগে পরাজিত ৫ জন প্রার্থী বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ মামলার বিবাদীরা হলেন, শাহজাদপুর থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ বর্তমানে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সে কর্মরত খাজা গোলাম কিবরিয়া, শাহজাদপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল কাদের বিশ্বাস, করশালিকা রহমানিয়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ইদ্রিস আলী, মাদরাসার সভাপতি আব্দুল্লাহহিল কাফি হিরা, ইসমাইল হোসেন, আজাদ আলী, জামাত আলী, মওলানা শাহ আলম ও মোছা. মধুমালা খাতুন।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহজাদপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আজাহার আলী ও পল্লি উন্নয়ন কর্মকর্তা কাওসার আলীকে নিয়ে ২ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে তাদের তদন্তের দায়িত্ব দেন। তদন্ত কমিটি সরেজমিন মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে গিয়ে ভোটার, এলাকাবাসী, শিক্ষক, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে আবেদনের সত্যতা পান। এ মর্মে তারা একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর শাহজাদপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অপর প্রকার ১৮১/২০১৮ নং মামলা দায়ের করা হয়।

আদালতের বিচারক কিশোর দত্ত মামলাটি গ্রহণ করে বিবাদীদের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না মর্মে শোকজ করেন। বিবাদী ওসি খাজা গোলাম কিবরিয়া সশরীরে হাজির হয়ে এ বিষয়ে লিখিত জবাব দেন। তার লিখিত জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় ও স্বাক্ষীগণের স্বাক্ষ গ্রহণে দোষী সাব্যাস্ত হওয়ায় বিচারক এ আদেশ দেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা