kalerkantho

বাকৃবি ছাত্রীদের আবাসন সংকট; রাত কাটছে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে

বাকৃবি প্রতিনিধি   

২২ আগস্ট, ২০১৯ ১৮:২৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাকৃবি ছাত্রীদের আবাসন সংকট; রাত কাটছে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আবাসন ও পানি সংকট নিরসনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন বেগম রোকেয়া হলের আওতাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রে অবস্থানরত প্রথম বর্ষের ছাত্রীরা। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম রোকেয়া হলের সামনে রাস্তা অবরোধ করে তারা এ বিক্ষোভ করেন। 

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় হলে সিট সংকট থাকায় স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রে ৫৭ জন ছাত্রীর থাকার ব্যবস্থা করা হয়। এ সময় তাদের তিন মাসের মধ্যে হলের মূল ভবনে ওঠানোর আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে গেলেও হলের মূল ভবনে জায়গা পাননি ছাত্রীরা। যার ফলে স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রে পানি সংকটসহ নানা সমস্যায় ভুগছেন আন্দোলনকারী ছাত্রীরা। এদিকে ২০১৬ সালের শেষের দিকে হলের কাজ অপূর্ণ রেখেই বেগম রোকেয়া হলে ছাত্রী ওঠানো শুরু হয়। বর্তমানে ওই হলে এক হাজার সিটের বিপরীতে প্রায় এক হাজার চারশ জন ছাত্রী অবস্থান করছেন।

আন্দোলনকারী ছাত্রীদের অভিযোগ, স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রে থাকার ফলে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাদের। প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে পানির সংকট। গোসলখানায় পানি না থাকার কারণে তিন তলা থেকে নিচে নেমে এসে পানি নিয়ে যেতে হয়। তাছাড়া এখানে প্রতিনিয়ত রোগীদের ভিড় থাকার কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হচ্ছে। এদিকে কোনো ডাইনিং ও ক্যান্টিন না থাকার কারণে খাওয়া দাওয়ার অনেক সমস্যা হচ্ছে। হলে সিট সংকট থাকায় গণরুমেও জায়গা হয়নি। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে যেসব সুযোগ-সুবিধা আছে সেগুলো থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

এদিকে সমস্যার কথা একাধিকবার প্রভোস্টকে জানানো হলেও কোনো কাজ হয়নি। তারা শুধু আশ্বাস দিয়েই চলেছেন। তাদের এখন একটাই দাবি সেপ্টেম্বরের মধ্যে হলে ওঠতে চান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. শহীদুল আলম, বেগম রোকেয়া হলের হাউজ টিউটর এফ.এম. জামিল উদ্দিন এবং ঈশা খাঁ হলের প্রভোস্ট মো. আশরাফুল হক উপস্থিত হয়ে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত করেন ছাত্রীরা। 

এ বিষয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রে পানির লাইনে সমস্যা থাকার কারণে পানি সংকট দেখা দিয়েছে। বিষয়টি অতি দ্রুত সমাধানের কাজ চলছে। আর আবাসন সংকট নিরসনে হলের চতুর্থ ও পঞ্চম তলার কাজ চলছে। নভেম্বরের মধ্যেই ওই হলের সকল ছাত্রী সিট পাবে আশা করছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা