kalerkantho

ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ২০

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী   

২২ আগস্ট, ২০১৯ ০১:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, আহত ২০

ছবি: কালের কণ্ঠ

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়া ইউনিয়নে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের সময় অনেকগুলো দোকান ভাঙচুর ও একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। বুধবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত সোনাইমুড়ী-সেনবাগ সড়কের পল্লী মঙ্গল এলাকার গোলাপ মেম্বারের বাড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের ও আটককৃতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় আতাউর রহমান ভূঁইয়া স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ছাতরপাইয়া ১নং ওয়ার্ড ও ৪নং ওয়ার্ডের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় ১টি গোল দেওয়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার জের ধরে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সোনাইমুড়ী-সেনবাগ সড়কের পল্লী মঙ্গল এলাকার গোলাপ মেম্বারের বাড়ি এলাকায় দুই গ্রামের লোকজন একত্রিত হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরই মধ্যে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা করলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে বিকেল পর্যন্ত।

এ সময় কয়েকটি দোকানপাটে ভাঙচুর ও স্থানীয় ইউপি মেম্বারের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। ওই সময়ে সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে, বিক্ষুব্ধ জনতা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে খবর পেয়ে সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সেনবাগ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান জানান, এলাকাটি দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় খবর পেয়ে সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ ৬ রাউন্ড শর্টগানের ফাঁকা গুলি করেছে। ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা