kalerkantho

সাদিক বাঁচতে চায়

বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি   

২১ আগস্ট, ২০১৯ ১৯:১৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সাদিক বাঁচতে চায়

একটু সহানুভূতিই পারে সাদিকুরকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে। যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরা বাজার সংলগ্ন মথুরাপুর গ্রামের আব্দুর সাত্তারের ছেলে সাদিকুর রহমান সাদিক। ২০১৬ সালে ২০ পারা কোরআন মুখস্ত হয়েছিল সাদিকের। হঠাৎ করে তার পিছনের মেরুদণ্ডে ব্যথা অনুভব করলে পরীক্ষায় ধরা পড়ে তার মেরুদণ্ডের হাড় বেঁকে যাচ্ছে। প্রায় দেড় বছর যশোর ও খাজুরাতে চিকিৎসা করালেও কোনো লাভ হয়নি। ক্রমশ ব্যথা বৃদ্ধি পেতে থাকে। অসুস্থতার কারণে সে আর হেফজখানায় যেতে পারে না।

এদিকে ছেলের অসুস্থতায় পিতার চিন্তার শেষ নেই। চিকিৎসকরা জানান, অপারেশন করাতে তিন লাখ টাকা লাগবে। সাদিকের পিতা দিশেহারা হয়ে ভিসা ও পাসপোর্ট করে ভারতের ভ্যালোরে সিনডম হাসপাতালে নিয়ে যায় তাকে। তারাও জানান, তিন লাখ টাকা লাগবে অপারেশন করাতে। টাকা যোগাড় করতে না পেরে অসহায়ের মতো ছেলেকে নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। বর্তমানে সাদিকের অবস্থা খুবই করুণ। অসহ্য ব্যথায় দিনাতিপাত করছে সাদিক।

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার খাজুরা বাজার সংলগ্ন মথুরাপুর গ্রামের আব্দুর সাত্তারের ছেলে সাদিকুর রহমান সাদিক (১৭)। সে স্থানীয় ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসা হেফজখানার একজন মেধাবী ছাত্র। তার পিতা পেশায় মসজিদ ভিত্তিক গণশিক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষক। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ মির্জাপুর কাজীপাড়া জামে মসজিদে সামান্য বেতনে চাকরি করেন। তিনিই সংসারের একমাত্র উপার্জনকারী। বেতনের এই সামান্য টাকায় স্ত্রী, ছেলে সাদিকুর ও মেয়ে আলিম ১ম বর্ষের ছাত্রী সাদিয়াকে নিয়ে কোনো রকমে সংসার চালান। জায়গা-জমি ও অন্যান্য সম্পদ বলতে তার মাথা গোজার ঠাঁই বাড়ি টুকু ছাড়া আর কিছুই নেই। সাদিকুরকে নিয়ে তার পিতার চোখে মুখে অনেক স্বপ্ন। ছেলেকে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হিসেবে গড়ে তুলবেন। পিতার সেই স্বপ্ন পূরণ করতে ভর্তি হন স্থানীয় ঐ হেফজখানায়।

এদিকে ছেলের এ অবস্থায় আব্দুর সাত্তার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। এ পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখন সমাজের দানশীল ব্যক্তিরা এগিয়ে আসলে ছেলেটিকে বাঁচানো সম্ভব। মেধাবী এই ছাত্রকে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে চাইলে উল্লেখিত তার পিতার সোনালী ব্যাংক যশোরের বাঘারপাড়া শাখার সঞ্চয়ী হিসাব নং- ২৩০৩৬৩৪০১০৪২৮ এবং বিকাশ- ০১৪০৩৪১৩৭১৫ নম্বরে সাহায্য পাঠানো যাবে। অথবা সরাসরি যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে এসে সাহায্য করতে পারেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা