kalerkantho

পেয়ারা বিক্রেতাকে মারধর

চট্টগ্রাম গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই জাহিদ বরখাস্ত

হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ১

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২১ আগস্ট, ২০১৯ ০১:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রাম গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই জাহিদ বরখাস্ত

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জ্যারটেক এলাকায় পেয়ারা বিক্রেতাকে মারধরের ঘটনায় চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই জাহিদ হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। 

এদিকে পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় কর্ণফুলী থানার উপপরিদর্শক নাছির বাদী হয়ে ৩০ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এ মামলায় এনাম হোসেন আকাশ (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের আমান উদ্দিনের ছেলে।

গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (বন্দর) এস এম মোস্তাইন হোসাইন বলেন, ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত সোমবার সন্ধ্যায় শাহ আমানত সেতুর দক্ষিণ পাশে কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জ্যারটেক এলাকায় ডিবির বন্দর জোনের একটি টিম অভিযানে যায়। টিমের সদস্য এএসআই জাহিদ একজন পেয়ারা বিক্রেতার কাছ থেকে পেয়ারা কেনেন। পেয়ারার দাম নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে হাতাহাতি-মারামারি শুরু হয়। পেয়ারা বিক্রেতা অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে পেয়ারা বিক্রেতা মোহাম্মদ আলীকে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ সময় তাঁর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে। সেই সঙ্গে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা