kalerkantho

আবাসনের ধর্ষিতা শিশুটিকে আইনগত সহায়তা দেবে জেলা লোকমোর্চা

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি   

১৯ আগস্ট, ২০১৯ ২৩:৩৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আবাসনের ধর্ষিতা শিশুটিকে আইনগত সহায়তা দেবে জেলা লোকমোর্চা

আলমডাঙ্গার নতিডাঙ্গা আবাসনের ধর্ষিতা শিশুর পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা লোকমোর্চা। ওই শিশুকে আইনগত সহায়তা ছাড়াও সব ধরনের সহযোগিতা করবে লোকমোর্চা। সোমবার জেলা লোকমোর্চার নেতারা সরেজমিনে নতিডাঙ্গা আবাসন, হারদি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং ধর্ষণ ঘটনার ব্যাপারে বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেয়।

সোমবার দুপুরে জেলা লোকমোর্চার ১১ সদস্যের একটি টিম সরেজমিনে আলমডাঙ্গার নতিডাঙ্গা আবাসনে যান। লোকমোর্চা সদস্যরা আবাসনের প্রত্যক্ষদর্শিদের সঙ্গে কথা বলেন। আবাসনে বসবাসকারী অনেকেই ঘটনার রাতের বর্ণনা দিয়ে ধর্ষক লাল্টুসহ অন্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে।

ঘটনার রাতে তিনজন ধর্ষক নাবালিকা ওই শিশুকে ধর্ষণ করা ছাড়াও তার বাবা-মাকে মারপিট করে। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় ধর্ষিতা শিশুর মা-বাবাকে হারদী হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। সেখানে বাবা-মায়ের সঙ্গে হাসপাতালে রয়েছে ধর্ষিতা শিশুটি। শিশুটির জবানবন্দি গ্রহণ ও তার বাবা-মায়ের কাছে ঘটনার বর্ণনা শোনার জন্য লোকমোর্চা নেতারা সোমবার বিকেলে আলমডাঙ্গার হারদী হাসপাতালে যান।

সেখানে ধর্ষিতা শিশু, তার বাবা ও মায়ের সঙ্গে কথা বলেন লোকমোর্চা সদস্যরা। তাদের চিকিৎসার খোঁজ-খবরও নেওয়া হয়। সন্ধ্যায় লোকমোর্চা সদস্যরা আলমডাঙ্গা থানায় গিয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান মুন্সীর সঙ্গে এ মামলার বিষয়ে কথা বলেন এবং বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেন।

সরেজমিন পরিদর্শনে ছিলেন জেলা লোকমোর্চার সভাপতি অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন, সদর উপজেলা লোকমোর্চার সভাপতি অ্যাডভোকেট মানিক আকবর, আলমডাঙ্গা উপজেলা লোকমোর্চার সভাপতি এম সবেদ আলী, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মন্টু, জেলা লোকমোর্চার যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক তানজিলা মিনি, জেলা লোকমোর্চা সদস্য অ্যাডভোকেট হানিফ উদ্দিন, আলমডাঙ্গা লোকমোর্চার যুগ্ম সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক শেখ শফিউজ্জামান, নির্বাহী সদস্য আক্কাচ আলী, ওয়েভ ফাউন্ডেশনের আকরাম হোসেন জোয়ার্দ্দার ও জেলা লোকমোর্চার সচিব কানিজ সুলতানা।

উল্লেখ্য, গত শনিবার গভীর রাতে আলমডাঙ্গার নতিডাঙ্গা আবাসনের এক শিশুকে একই গ্রামের লাল্টু, রাজু ও মধু বাঙ্গাল শিশুটিকে আবাসন থেকে তুলে নিয়ে পাশের এক বাঁশবাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। তার আগে তারা শিশুর বাবা ও মাকে মারপিট করে গুরুতর জখম করে। শিশুর বাবা-মা পালিয়ে নিজেদের জীবন রক্ষা করে।

এ মামলায় আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনার পরদিন মামলার প্রধান আসামি একই গ্রামের জয়নাল হোসেনের ছেলে লাল্টু হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। মামলার অন্য দুই আসামি এখনো পলাতক রয়েছে। 

জেলা লোকমোর্চা সভাপতি অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন বলেন, জেলা লোকমোর্চার আইন সহায়তা প্যানেল এ মামলায় ধর্ষিতা শিশুর পক্ষে থেকে আইনগত মোকাবেলা করবে। মামলার সকল প্রকার ব্যয়ভার বহণ করবে জেলা লোকমোর্চা। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা