kalerkantho

প্রতিবন্ধী লুৎফা বেগমের ভাগ্যে জোটেনি প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের একটি ঘর

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

১৯ আগস্ট, ২০১৯ ২০:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রতিবন্ধী লুৎফা বেগমের ভাগ্যে জোটেনি প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের একটি ঘর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ‘সবার জন্য বাসস্থান’ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘জমি আছে ঘর নাই তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ’ কাজ দেশব্যাপী চলমান রয়েছে। ‘জমি আছে ঘর নাই’ প্রকল্পের আওতায় সরকারের পক্ষ থেকে তৈরি করে দেওয়া ঘরে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়ে দরিদ্র পরিবারগুলো এখন আনন্দে আত্মহারা। এরই ধারাবাহিকতায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় চলমান রয়েছে ঘর নির্মাণ কার্যক্রম। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের একটি ঘর ভাগ্যে জোটেনি ৪ সন্তানের জননী প্রতিবন্ধী লুৎফা বেগমের।

কমলগঞ্জ উপজেলার ২নং পতনঊষার ইউনিয়নের সোনারগাঁও (বলরামপুর) এলাকার মৃত লোকমান মিয়ার প্রতিবন্ধী স্ত্রী লুৎফা বেগমের বসতঘরটি বিগত ২০১৮ সালের বন্যায় পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্যার সময় স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে ২নং পতনঊষার ইউনিয়নে একটি ঘরের জন্য কাগজাদি জমা দেন। লুৎফা বেগম নিয়মিত প্রতিবন্ধী ভাতাপ্রাপ্ত।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সন্তানাদী নিয়ে বসবাস করছেন এ প্রতিবন্ধী নারী। লুৎফা বেগম জানান, বন্যায় বসতঘরটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও আবেদন নিবেদন করেও একটি ঘর পেলাম না। এ ব্যাপারে কান্না জড়িত কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি ঘরের জন্য আকুল আবেদন জানান তিনি। 

পতনঊষার ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শায়েক আহমদ বলেন, লুৎফা বেগম একজন নিরীহ হতদরিদ্র ও প্রতিবন্ধী নারী। তিনি অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পের একটি ঘর পাবার হকদার। আমার ওয়ার্ডে ২০১৮ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হত-দরিদ্র অনেকেই আবেদন করেও ঘর পায়নি।

এ ব্যাপারে পতনঊষার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার তওফিক আহমদ বাবু জানান, প্রতিবন্ধী মহিলাকে সঠিক চিনতে পারছি না। তবে আমার অফিসে আসলে একটি ঘর পেতে যতটুকু সহযোগিতা প্রয়োজন তা আমি করে একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দেব।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা