kalerkantho

ধর্ষক আটক, মামলা দায়ের

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যুবতীকে ধর্ষণ

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি   

১৯ আগস্ট, ২০১৯ ১২:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যুবতীকে ধর্ষণ

সিলেটের বিশ্বনাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আবদুল করিম (২০) নামের এক যুবককে ধর্ষণের অভিযোগে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। গতকাল রবিবার দুপুর ২টার দিকে স্থানীয় ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে ওই যুবককে বিশ্বনাথ থানায় সোপর্দ করেন জনতা। অভিযুক্ত আবদুল করিম উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। এর আগে রবিবার ভোররাতে যুবতীর বসতঘর থেকে তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় যুবতীর ভাই বাদী হয়ে আটককৃতকে করিমকে আসামি করে রবিবার রাতে বিশ্বনাথ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার বাদী ধর্ষিতার বড় ভাই বলেন, তিনি একজন কাঠমিস্ত্রী। ছোটবোনকে বাড়িতে একা রেখে শনিবার সকালে কাজে চলে যাই। পরে রবিবার ভোররাতে কাজ থেকে বাড়ি ফিরে আপত্তিকর অবস্থায় করিমকে আটক করি। এ সময় তার বোনের চিৎকারে বাড়ির লোকজন জড়ো হন। ঘটনা জানাজানি হলে রামচন্দ্রপুর গ্রামের ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিনও সেখানে উপস্থিত হন। পরে বাড়ির লোকজন ও ইউপি সদস্য জামাল উদ্দিনের সহযোগিতায় রবিবার দুপুরে আবদুল করিমকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পেশায় ফ্রিজ মেকানিক আবদুল করিম আত্মীয়তার সুবাদে দীর্ঘদিন থেকে ওই যুবতীর বাড়িতে আসা যাওয়া করেন। একপর্যায়ে মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কও গড়ে তোলেন। গত রবিবার বাড়িতে একা পেয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই যুবতীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় হঠাৎ কাজ থেকে তার বড়ভাই বাড়িতে এসে তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে আটক করেন। আটকের পর বাড়ির লোকজনসহ ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে ধর্ষণের কথা স্বীকার করলেও পুলিশের কাছে ধর্ষণের বিষয়টি অস্বীকার করেন অভিযুক্ত আবদুল করিম। 

ধর্ষণ মামলা দায়েরের সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ থানার এসআই দেবাশীষ শর্মা বলেন, আটককৃত আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা