kalerkantho

বাড়ি ফেরা হলো না শারমীনের, পুলিশের ধারণা ধর্ষণের পর হত্যা

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি   

১৮ আগস্ট, ২০১৯ ২২:১৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাড়ি ফেরা হলো না শারমীনের, পুলিশের ধারণা ধর্ষণের পর হত্যা

ঈদ শেষে গ্রামের বাড়িতে ফেরার পথে হত্যার শিকার হয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন শারমীন আক্তার নামে এক নারী পোশাক শ্রমিক। গত দুই দিনেও পুলিশ এই হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি।

নিহত শারমীন আক্তার দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার খাট্টাউছনা গড়িয়াল গ্রামের শাফি আকন্দের মেয়ে। তিনি ঢাকার একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন এবং থাকতেন ঢাকার গাবতলীতে।

গত শুক্রবার হাকিমপুর উপজেলার চণ্ডীপুর এলাকার বৈগ্রাম সড়কের ব্রিজের নিচে কাঁদার মধ্যে অজ্ঞাত পরিচয়ধারী হিসেবে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পরিচয় উদ্ধার হওয়ার পর গতকাল শনিবার তার বাবা শাফি আকন্দ বাদী হয়ে হাকিমপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ ধারণা করছে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আজ রবিবার পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছে।

হাকিমপুর থানার মামলা সূত্রে জানা যায়, গত জুলাই থেকে শারমিন অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসক তাকে একমাস বিশ্রামের পরামর্শ দেয়। পরে বাবার অনুরোধে তিনি গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে এসআই পরিবহনে দিনাজপুরের হাকিমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। শুক্রবার ভোরে শারমিনের ভাই সাজ্জাদ মুঠোফোনে বোনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। কিন্তু মুঠোফোন বন্ধ পায়। সারাদিন শেষে শুক্রবার রাতে সাড়ে ৯টার দিকে শারমিনের মুঠোফোনটি চালু হয়। এ সময় হাকিমপুর থানা পুলিশ শারমিনের পরিবারকে হত্যার খবর জানায়। পরিবার এসে শারমিনের লাশ শনাক্ত করে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার চণ্ডীপুর এলাকার বৈগ্রাম সড়কের ব্রিজের নিচে কাঁদার মধ্যে পুঁতে রাখা অবস্থায় শারমিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশ সুরতহালে শারমিনকে গলায় ফাঁস (শ্বাসরোধ) দিয়ে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে। লাশটি পানিতে ভিজে যাওয়ায় ধর্ষণের আলমত বোঝা যায়নি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানা যাবে।

ওসি আরো জানান, হত্যাকাণ্ডের ক্লু উদ্ধার করে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা